Published : 10 Jul 2026, 08:16 AM
দুর্বার গতিতে ছোটা নরওয়ের রথের সারথি নিশ্চিতভাবে আর্লিং হলান্ড। গোলের পর গোল করে, প্রতি ম্যাচের সুর বেঁধে দিচ্ছেন এই ফরোয়ার্ড। বাকিরাও কম যাচ্ছেন না। দলটির সাবেক মিডফিল্ডার মহতেন গামস্ত পেদেহসেন তাই বললেন, নরওয়ে কেবল হলান্ডের ওপর নির্ভরশীল নয়।
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠা নরওয়ে, এবার উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে খেলার লক্ষ্য নিয়ে নামবে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের ম্যাচটি শুরু হবে ১২ জুলাই ৩টায় (এএম)।
মায়ামির ম্যাচে স্বাভাবিকভাবে সবার দৃষ্টি থাকবে হলান্ডের দিকে। ব্রাজিলকে বিদায় করে দেওয়া ম্যাচে জোড়া গোল করা এই ফরোয়ার্ডের চলতি আসরে সব মিলিয়ে গোল ৭টি। গোল্ডেন বুটের দৌড়ে আছেন ভালোভাবে। তবে, পেদেহসেন মনে করেন, বাকিরাও গড়ে দিতে পারেন ম্যাচের ভাগ্য।
“নরওয়ে দলে হলান্ডের মতো সুপারস্টার আছে, এবং দলটিতে মার্টিন ওদেগোর, ইয়োর্হেন স্ত্রান্দ লারসেন, আলেকসান্দের সর্লথ, সন্দের বার্গে, অস্কার বব আছে…যারা প্রিমিয়ার লিগে এবং ইউরোপের বড় লিগগুলোতে খেলছে।
“সবাই জানে, হলান্ড দলের সবচেয়ে বড় তারকা, কিন্তু ঐক্যবদ্ধভাবে নরওয়ে আসলেই ভালো একটা দল। দলটির মানসিকতা ছেলেদের ছুটির দিন কাটানোর মতো। তারা মাঠে যাচ্ছে, মজা করছে এবং আসলেই উপভোগ করছে বিশ্বকাপ।”
ইংল্যান্ড দলের আক্রমণভাগে আছে হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহ্যামের মতো নির্ভরতা। তবে, ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৪৮ ম্যাচ খেলা পেদেহসেনের মনে হচ্ছে, মায়ামিতে চাপে থাকবে ইংল্যান্ডই।
“নরওয়েতে, সবাই আনন্দে আত্মহারা। আমরা যেন অবিশ্বাস্য এক যাত্রায় ছুটে চলেছি। কিন্তু ইংল্যান্ডের ওপর তাদের গণমাধ্যম এবং চারপাশের মানুষের প্রচণ্ড চাপ থাকবে।”
নওরয়ের হয়ে ৮৩ ম্যাচ খেলা পেদেহসেনের বিশ্বাস, রক্ষণ জমাট রেখে, সাহসী ফুটবল খেলতে পারলে, ইংল্যান্ড বাধা টপকে ছুটবে হলান্ডদের জয়রথ।
“আমাদের সাহসী হতে হবে। আমাদের নিজেদের খেলাটাই খেলতে হবে, উপলক্ষ নিয়ে মেতে থাকলে চলবে না।
“স্বাভাবিকভাবে ইংল্যান্ডের অবস্থান এবং তাদের যে ফুটবল ইতিহাস, তাতে তারাই ফেভারিট। কিন্তু অন্য দিকে, আমরা যে কাউকে হারাতে পারি।”