Published : 21 Jun 2026, 04:18 PM
আগের ম্যাচে দ্বিতীয় বলেই ছক্কা হজম করেছিলেন স্পেন্সার জনসন। সেই একই পিচে এবার তার পুরো চার ওভারে ছয় রানের বেশি নিতে পারল না বাংলাদেশ! দুর্দান্ত বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি পেসার গড়লেন মিতব্যয়ী বোলিংয়ের রেকর্ড।
সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে রোববার চট্টগ্রামে ৪ ওভারে স্রেফ ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন জনসন। বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সংস্করণে পুরো চার ওভার বোলিং করে সবচেয়ে কম দেওয়ার যৌথ রেকর্ড এটি।
২০১০ সালের সালের ফেব্রুয়ারিতে হ্যামিল্টনে ৪ ওভারে ৬ রান দিয়েছিলেন ড্যানিয়েল ভেটোরি। নিউ জিল্যান্ডের বাঁহাতি স্পিনার অবশ্য একটি মেডেন নিয়েছিলেন, উইকেট নিয়েছিলেন ৩টি।
এই রেকর্ডে এই দুজনের পরে আছেন যৌথভাবে আছেন আরও দুজন এবং তারা দুজনও বাঁহাতি স্পিনার। ২০২১ সালে মিরপুরে ৪ ওভারে ৭ রান দিয়েছিলেন নিউ জিল্যান্ডে এজাজ প্যাটেল, গত বছর শারজাহতে তা স্পর্শ করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের হায়দার আলি।
বাংলাদেশের বিপক্ষে রেকর্ডে জনসন যৌথভাবে সেরা হলেও আরেকটি জায়গায় তিনি এককভাবেই শীর্ষে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টি-টোয়েন্টিতে পুরো চার ওভার বোলিং করে সবচেয়ে কিপটে বোলিংয়ের কীর্তি এখন তারই।
জনসনের ৬ রানের মধ্যে দুটি আবার এসেছে ওয়াইড ও নো বল থেকে। ২০ বল থেকে কোনো রানই হয়নি!
নিজের প্রথম ওভারে একটি রান দেন তিনি ওয়াইড থেকে, পরের ওভারে আসে একটি সিঙ্গল। তৃতীয় ওভারটি করেন তিনি ইনিংসের নবম ওভারে। একটি নো বল ও আরেকটি সিঙ্গল থেকে রান আসে দুই।
এরপর ইনিংসের শেষ ওভারে তিনি নিজের শেষ ওভারটি করেন। প্রথম চার বলে কোনো রানই হয়নি। শেষ দুই বলে সিঙ্গল নেন তাওহিদ হৃদয় ও তাসকিন আহমেদ।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মিতব্যয়ী বোলিংয়ের আগের রেকর্ড ছিল বিলি স্ট্যানলেকের। ২০১৮ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে হারারেতে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন এই পেসার ৪ ওভারে ৮ রান দিয়ে।
মিতব্যয়ী বোলিংয়ের বিশ্বরেকর্ডটি অবিশ্বাস্য, যা কখনও ভাঙবে না, কেবল স্পর্শ করা যাবে।
২০২১ সালে পানামার বিপক্ষে ৪ ওভার বোলিং করে কোনো রান দেননি কানাডার বাঁহাতি স্পিনার সাদ বিন জাফার। পরে ২০২৪ সালে সেটি স্পর্শ করেন নিউ জিল্যান্ডের লকি ফার্গুসন ও হংকংয়ের আয়ুশ শুক্লা, ২০২৫ সালে তাঞ্জানিয়ার আজিথ অগাস্টিন।