২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সাভারে নীলা রায় হত্যা মামলায় ‘প্রত্যক্ষদর্শী’ ভাইয়ের সাক্ষ্য দেওয়া শুরু

সাক্ষ্য শেষ না হওয়ায় আগামী ১৬ মার্চ পরবর্তী দিন রাখা হয়েছে।

সাভারে নীলা রায় হত্যা মামলায় ‘প্রত্যক্ষদর্শী’ ভাইয়ের সাক্ষ্য দেওয়া শুরু
স্কুলছাত্রী নীলা রায় হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিজানুর রহমান চৌধুরী।

আদালত প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Feb 2023, 08:40 PM

Updated : 06 Apr 2023, 08:21 PM

সাভারের স্কুলছাত্রী নীলা রায় হত্যা মামলায় তার ভাই ‘প্রত্যক্ষদর্শী’ অলক রায়ের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেছে আদালত।

সোমবার ঢাকার পঞ্চম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ফেরদৌস ওয়াহিদের আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া শুরু করেন নীলার ছোট ভাই অলক রায়। তবে এদিন সাক্ষ্য শেষ না হওয়ায় আগামী ১৬ মার্চ পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন রাখা হয় বলে বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুর রশীদ খান জানান।

এর আগে মামলার বাদী নীলার বাবা নারায়ণ রায় সাক্ষ্য দিয়েছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে আব্দুর রশীদ বলেন, সাক্ষী তার নিজের নাম ঠিকানা বলার পর ‘নিহত তার বোন ছিলেন’ বলে আবেগে হতবিহ্বল হয়ে পড়ে। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে বিচারক এদিনের মত সাক্ষ্য নেয়া মূলতবি ঘোষণা করেন।

সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আসামি মিজানুর রহমানকে (২১) হাজির করা হয় বলেও জানান তিনি।

জামিনে থাকা অপর আসামি সাকিব হোসেন (২০) ও সেলিম পাহলান (৪২) আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ আলী মিজানুরের জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করে আদালত।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ‘প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়’ ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সাভার পৌরসভার পালপাড়া এলাকায় নীলাকে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়। মানিকগঞ্জ জেলার বালিরটেক এলাকার নারায়ণ রায়ের মেয়ে নীলা সাভার পৌর এলাকার ব্যাংক কলোনির অ্যাসেড স্কুলের দশম শ্রেণিতে পড়ত।

ওই ঘটনার পর কারাগারে থাকা মিজানুর ও তার বাবা-মাকে আসামি করে সাভার থানায় হত্যা মামলা করেন নীলার বাবা নারায়ণ রায়। গ্রেপ্তারের পর মিজানুর হাকিমের কাছে ঘটনার কারণ ও ঘটনার পূর্বাপর বিস্তারিত বর্ণনা করে ১ অক্টোবর ঢাকার বিচার বিভাগীয় হাকিমের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেন।

পরে তদন্ত শেষে মিজানসহ তিনজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। মিজানের বাবা আব্দুর রহমান (৬০) এবং মা নাজমুন্নাহার সিদ্দিকাকে (৫০) মামলার অভিযোগপত্র থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয় অভিযোগপত্রে।

সেখানে বলা হয়, ঘটনার আগে বছর দেড়েক ধরে নীলাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন সাভারের ব্যাংক কলোনির কলেজছাত্র মিজান। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নীলা তার ছোট ভাই অলক রায়কে নিয়ে রিকশায় হাসপাতালে যাওয়ার পথে মিজান ওই রিকশার গতিরোধ করেন।

এরপর অস্ত্রের মুখে নীলাকে রিকশা থেকে নামিয়ে একটি গলির ভেতরে নিয়ে তার গলায়, পেটে, মুখে ও ঘারে ছুরিকাঘাত করে মিজান পালিয়ে যান। এ সময় নীলা ও তার ভাইয়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় নীলার মৃত্যু হয়।

সেই ঘটনার প্রত্যক্ষ্যদর্শী হিসেবে আদালতে অলক রায়ের সাক্ষ্য নেওয়া হয় বলে জানান আব্দুর রশীদ। 

পুরনো খবর

পুরানো খবর:

সাভারের স্কুলছাত্রী নীলা রায় হত্যার বিচার শুরু

পুরানো খবর:

নীলা রায় হত্যা মামলার সাক্ষ্য দিলেন বাবা

পুরানো খবর:

নীলা রায় হত্যা: অভিযোগপত্রে আসামি মিজানুরসহ ৩ জন

পুরানো খবর:

নীলা রায় হত্যার অভিযোগপত্র শিগগিরই: তদন্ত কর্মকর্তা

পুরানো খবর:

‘বিয়েতে রাজি না হওয়ায়’ নীলাকে কুপিয়ে হত্যার ‘স্বীকারোক্তি’ মিজানুরের

পুরানো খবর:

নীলা রায় হত্যার প্রধান আসামি মিজানুর গ্রেপ্তার

পুরানো খবর:

সাভারে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে স্কুলছাত্রীকে হত্যা