বাম ছাত্র নেতাদের বিরুদ্ধে মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত আগামী ২৪ অক্টোবর নতুন তারিখ দিয়েছে।

আদালত প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 15 Sept 2022, 11:57 AM
Updated : 15 Sept 2022, 11:57 AM

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ডাকা সমাবেশ থেকে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে বাম ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক শহিদুল ইসলাম আগামী ২৪ অক্টোবর পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

এদিন প্রতিবেদন দাখিলের দিন থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দিতে পারেননি বলে জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের কমিশনার জসীম উদ্দিন।

গত ৭ অগাস্ট সন্ধ্যায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে ঢাকার শাহবাগে বাম ছাত্র নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ সমাবেশের শেষ পর্যায়ে লাঠিপেটার ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পরদিন শাহবাগ থানায় এসআই পলাশ সাহা বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- ছাত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি অনিক রায়, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি মশিউর রহমান খান রিচার্ড, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি সাদেকুল ইসলাম সোহেল, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি আরিফ মঈনুদ্দীন, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি সুনয়ন চাকমা, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের সভাপতি তৌফিকা প্রিয়া, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জয়দীপ ভট্টাচার্য, ‘ল’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি সালমান সিদ্দিকী, ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য শান্তা ও ছাত্র ফেডারেশনের জুবা মনি, জনৈক সানি আবদুল্লাহ, জাবিল আহম্মেদ জুবেন, জাওয়াদ, বাঁধন, আদনান, শাহাদাত, ইভান, অনিক, দিয়া মল্লিক, তানজিদ ও তামজিদ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা বিনা অনুমতিতে বেআইনিভাবে শাহবাগ মোড়ের পাকা রাস্তার ওপর বিক্ষোভ সমাবেশ করার নামে রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করেন।

পুলিশ তাদের যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার অনুরোধ করে। কিন্তু আসামিরা অনুরোধ ও নিষেধ অমান্য করেন।

পুলিশের দাবি, আসামিরা মিছিল ও স্লোগানের মাধ্যমে হাতে লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেলসহ ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। সেসময় পুলিশ তাদের রাস্তা থেকে সরে যেতে অনুরোধ করে।

“বিক্ষোভকারীদের পুলিশ থামানোর চেষ্টা করে। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা লাঠিসোঁটা ও ইটের টুকরা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে পুলিশের ওপর আঘাত করে, মারধর করেন।”

এজাহারে বলা হয়, আসামিদের লাঠির আঘাতে রমনা অঞ্চলের সহকারী কমিশনার বায়েজীদুর রহমান, সহকারী কমিশনার (প্যাট্রল) বাহা উদ্দীন ভূঞা, উপপরিদর্শক রাশেদুল আলম আহত হন।

পরে পুলিশ নিজেদের জানমাল ও জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

আরও খবর

Also Read: শাহবাগে লাঠিপেটা করল পুলিশ, মামলাও পুলিশই করল

Also Read: ছোট ছোট মিছিলে চলছে বাম জোটের হরতাল

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক