Published : 07 Jun 2026, 06:05 PM
প্রায় পাঁচ বছরের মাথায় রাজধানীর কদমতলীতে তিন খুনের ঘটনায় করা মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
এর আগে থানা পুলিশ ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি তদন্ত করলেও বাদীপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি পিবিআইতে পাঠানো হল।
বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান এ আদেশ দেওয়া হয়।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আব্দুছ ছবুর খন্দকার রোববার এ তথ্য দিয়েছেন।
২০২১ সালের ১৮ জুন রাতে রাজধানীর কদমতলী এলাকায় মাসুদ রানা, তার স্ত্রী মৌসুমি ইসলাম ও মেয়ে জান্নাতুল ইসলাম মোহিনীকে খুন করা হয়।
এ ঘটনায় মাসুদ রানার বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেন ২০ জুন কদমতলীয় থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলা আসামি করা হয় মাসুদ রানার আরেক মেয়ে মেহজাবিন মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলাম অরণ্যকে। চা, কপির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অজ্ঞান করে মা-বাবা ও বোনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে।
মামলাটি তদন্ত করে ২০২২ সালের ২২ অগাস্ট মুনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন কদমতলী থানার ইন্সপেক্টর ফেরদৌস আলম সরকার। মুনের স্বামী শফিকুল ইসলাম অরণ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ না পাওয়ায় তাকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।
ওই বছরের ৬ অক্টোবর অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন সাখাওয়াত হোসেন। সে আবেদন আমলে নিয়ে ঢাকার তৎকালীন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরফাতুল রাকিব সিআইডি পুলিশকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে গেল ২৭ এপ্রিল মুনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর কানাই লাল মজুমদার। শফিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
তবে সিআইডি পুলিশের দেয়া অভিযোগপত্রেও শফিকুলের নাম না আসায় বাদী সাখাওয়াত হোসেন ফের নারাজি দেন। নিরপেক্ষ কোনো তদন্ত সংস্থা বা পিবিআইকে পুনরায় অধিকতর তদন্তের আদেশ চেয়ে আবেদন করেন তিনি।
সাখাওয়াত হোসেনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শেখ রীমা।
শুনানি নিয়ে আদালত পিবিআইকে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয়।