Published : 07 Jul 2026, 09:23 AM
শক্তি-সামর্থ্যে সমৃদ্ধ, তারকায় ঠাসা একটি দল। বিশ্বকাপে যাদেরকে ফেভারিটের কাতারে রেখেছিলেন অনেকেই। সেই দল বাদ পড়ে গেছে কোয়ার্টার-ফাইনালের আগেই। খালি চোখে এটি পরিষ্কার ব্যর্থতা। তবে রবের্তো মার্তিনেস দেখছেন ভিন্ন চোখে। পর্তুগালের বিদায়ি কোচের মতে, জয়ের চেষ্টার মধ্যেই মিশে আছে স্বার্থকতা এবং তার দলকে এখানে তিনি মনে করেন সফল।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচ দিয়েই শেষ হচ্ছে পর্তুগালের কোচ হিসেবে মার্তিনেসের মেয়াদ। ২০২৩ সালে দায়িত্ব পাওয়া কোচের চুক্তি শেষ বিশ্বকাপ দিয়েই এবং বিশ্বকাপের আগেই তিনি বলেছেন, মেয়াদ বাড়ানোর কোনো ইচ্ছে তার নেই।
শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের পর নিজের সেই সিদ্ধান্ত আবার নিশ্চিত করলেন মার্তিনেস। শেষটা প্রত্যাশিত না হলেও বিদায়বেলায় স্প্যাশি এই কোচের সঙ্গী গর্ব।
“হ্যাঁ, এই জাতীয় দলের হয়ে এটিই আমার শেষ ম্যাচ। আমি গর্বিত। ৪৫টি ম্যাচ দায়িত্ব পালন করেছি, পর্তুগালে আমাকে সাদরে গৃহণ করা হয়েছে, ভালোবাসা পেয়েছি। এসব স্মৃতি সবসময় লালন করব।”
“এটা ছিল আনন্দের, গর্বের এবং দায়িত্বের। শেষটা কঠিন, কিন্তু এটা একটা অধ্যায়ের সমাপ্তি এবং এই প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্তই (দায়িত্ব চালিয়ে না যাওয়া) যৌক্তিক।”
বিশ্বকাপের সাফল্য-ব্যর্থতার যে সাধারণ হিসাব, সেটিকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখছেন ৫২ বছর বয়সী কোচ।
“আমরা ব্যর্থ হইনি। আমরা একটি ম্যাচ হেরেছি, এমন একটি দলের বিপক্ষে, যারা আসরের ফেভারিট দলগুলির একটি। আমরা অবিশ্বাস্য ব্যক্তিগত প্রতিভা দেখিয়েছি। বড় ম্যাচগুলোতে, বড় দলের বিপক্ষে জয়-পরাজয় নির্ভর করে খুঁটিনাটি অনেক বিষয়ের ওপর...। কেউ তখনই ব্যর্থ হয় যখন জেতার চেষ্টা করে না, আমরা শেষ মিনিট পর্যন্ত জেতার চেষ্টা করেছি।”
“এটা শুধু পর্তুগালের ব্যাপার নয়। ধারাবাহিকভাবে খেলে বিশ্বকাপের শেষ পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, এমন দেশ খুব বেশি নেই। ধারাবাহিক থাকা এবং শেষ ধাপগুলোয় খেলার যোগ্যতা অর্জন করা খুব কঠিন।”
সেই খুঁটিনাটির একটি তুলে ধরলেন মার্তিনেস, স্পেনের বিপক্ষে যখন নুনো মেন্দ্সের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
“এমন কিছু বিষয় আছে যা পার্থক্য গড়ে দেয়, যেমন পোস্টে লেগে যাওয়া একটি বল। এই জিনিসগুলোই বিশ্বকাপের ভাগ্য নির্ধারণ করে।”