Published : 29 Jan 2026, 04:45 PM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে কমনওয়েলথ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ‘বড় পর্যবেক্ষক দল’ আসছে বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর।
কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বাচউয়ির বরাতে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো আদো ১৪ সদস্যের কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্ব দেবেন বলে চলতি মাসের শুরুতে লন্ডনে ঘোষণা দিয়েছেন বাচউয়ি।
এ পর্যবেক্ষক দলে রাজনীতি, আইন, গণমাধ্যম, লিঙ্গ বিষয়ক ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। দলটিকে সহায়তা করবে কমনওয়েলথ সচিবালয়ের একটি টিম, যার নেতৃত্বে থাকবেন ইলেক্টোরাল সাপোর্ট সেকশনের প্রধান ও উপদেষ্টা লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজ।
কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলে রয়েছেন মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপমন্ত্রী জেফ্রি সালিম ওয়াহিদ, মালদ্বীপের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড জন ফ্রান্সিস, সিয়েরা লিওনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড জন ফ্রান্সিস, মালয়েশিয়ার সাবেক সিনেটর রাস আদিবা মোহদ রাদজি। এ ছাড়া অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, কানাডা, ফিজি, মরিশাস, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, উগান্ডা, যুক্তরাজ্য ও জাম্বিয়ার প্রতিনিধিরাও প্রতিনিধি দলে থাকবেন।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর বলছে, এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, ২৭টি ইইউ সদস্য রাষ্ট্রের প্রায় ২০০ পর্যবেক্ষক নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড ও কানাডার প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনে (ইইউ ইওএম) যোগ দেবেন।
ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন লাটভিয়ার ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ইভার্স ইইয়াবস।
এই মিশনে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের আরও অন্তত সাতজন সদস্য থাকবেন, যাদের মধ্যে আছেন—লুকাস ম্যান্ডল (অস্ট্রিয়া), লোরাঁ ভিনচে (রোমানিয়া), তোমাশ জদেখোভস্কি (চেকিয়া), লেইরে পাইখিন (স্পেন), শেরবান দিমিত্রি স্তুরদজা (রোমানিয়া), মাইকেল ম্যাকনামারা (আয়ারল্যান্ড) এবং ক্যাটারিনা ভিয়েরা (নেদারল্যান্ডস)। তারা আগামী ১০ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশ সফর করবেন।
গত ২৯ ডিসেম্বর একটি কোর টিম আগমনের মাধ্যমে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ দলে রয়েছেন ১১ জন বিশ্লেষক, যাদের সহায়তা করছেন লজিস্টিক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।
প্রধান উপদেষ্টার এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ বলেন, “নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ আমাদের সত্যিই উৎসাহিত করছে।
“এটি অন্তর্বর্তী সরকার ও বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রতি তাদের আস্থার প্রতিফলন যে, তারা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম হবে।”