প্রশ্ন ফাঁস: ‘ত্রুটি’ সরবরাহে, বিকল্পে যেতে ‘বাধা’ যেখানে

‘বিশ্বাসে’ ভর করে পরিচালিত ‘উচ্চ ঝুঁকির’ প্রশ্ন সরবরাহের প্রচলিত পদ্ধতিকে বাদ দিয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

কাজী নাফিয়া রহমানবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 24 Sept 2022, 05:40 PM
Updated : 24 Sept 2022, 05:40 PM

আবারও প্রশ্ন ফাঁসের পর এ নিয়ে গলদ কোথায় সেই আলোচনার মধ্যে ছাপাখানা থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার কেন্দ্র পর্যন্ত প্রশ্ন পৌঁছানোর আগেই ফাঁস হওয়ার অনেক 'ফাঁক' যে বর্তমান ব্যবস্থায় রয়েছে তা মানছেন সংশ্লিষ্টরা; তাদের কথায় বিকল্প চিন্তা ভাবনার কথাও এসেছে সামনে।

‘বিশ্বাসে’ ভর করে পরিচালিত ‘উচ্চ ঝুঁকির’ প্রশ্ন সরবরাহের প্রচলিত পদ্ধতিকে বাদ দিয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

এর কারণ হিসেবে তারা এবারের এসএসসির মত প্রশ্ন ফাঁস এবং প্রায় প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষার সময় এ নিয়ে গুজব ও গুঞ্জন ওঠার কথা বলেছেন। শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে বিকল্প পদ্ধতিতে যাওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

এমন প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন সরবরাহ পদ্ধতির বদলের চিন্তাভাবনা শুরুর মধ্যে কিছু বাধাও দেখতে পাওয়ার কথা তুলে ধরেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।

দিনাজপুর বোর্ডে এসএসসির প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় তারা নতুন করে ভাবছেন বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার। এ নিয়ে বিকল্প উপায় হিসেবে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারের কথাই বলেছেন তিনি।

তার ভাষ্য, “ম্যানুয়াল পদ্ধতি আর থাকবে না।“

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দিকও এবারের ঘটনার পর বিকল্প চিন্তার কথা বলেন।

তার মতে, যে পদ্ধতিতে এখন প্রশ্ন সরবরাহ করা হয় এর চেয়ে আরও ভালো পদ্ধতি দেশ-বিদেশে রয়েছে।

“সেগুলো আমরা দেখব। সব সময় তো একটা পদ্ধতি কার্যকরী থাকে না। বিকল্প চিন্তা আমাদের করতে হবে। কারণ যে ঘেটনাটা ঘটল, এর পরে আর কিছু বলা যাচ্ছে না। মানুষকে বিশ্বাস করে বসে থাকলে তো হবে না।“

তিনি বলেন, দিনাজপুরে এমন একটা ঘটনা ঘটল, এখন আসলে বিকল্প চিন্তাভাবনা করতে হবে আমাদের। মন্ত্রী মহোদয় দেশের বাইরে আছেন, উনি আসলে আমরা বসে চিন্তা ভাবনা করব।”

শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এস এম হাফিজুর রহমান মনে করেন, চাইলে পাবলিক পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে।

বর্তমানে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ছয় মাস পর পর ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চারটি সেমিস্টারে প্রায় চার লাখ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

করোনাভারাস মহামারীর পর থেকে এ পরীক্ষার প্রশ্ন সরবরাহে ব্যবহার করা হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতি। পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে অনলাইনে প্রশ্ন পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ওটিপি’র মাধ্যমে কেন্দ্রগুলো প্রশ্ন পেয়ে প্রিন্ট দিয়ে পরীক্ষার্থীদের দেয়।

ফের ফাঁসের ধাক্কা

বছর কয়েক আগেও বাংলাদেশে পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস একটি নিয়মিত বিষয়ে দাঁড়িয়েছিল, মহামারীকালের সংক্ষিপ্ত পরীক্ষায় অবশ্য এ নিয়ে তেমন শোরগোল শোনা যায়নি।

গুজব বা গুঞ্জন যে ছড়ায়নি তা নয়। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য সামনে না আসায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সব পর্যায় থেকেই ‘প্রশ্ন ফাঁসের সুযোগ নেই’ এমন মন্তব্য আসছিল। এবারও প্রথমে গুজব পরে চলমান এসএসসি পরীক্ষার মাঝেই প্রশ্ন ফাঁস বড় ধাক্কা হিসেবেই এসেছে নীতি নির্ধারকদের জন্য।

প্রশ্ন ফাঁসের কারণে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চারটি পরীক্ষা স্থগিত করতে হয়েছে, বাতিল হয়েছে ছয়টি বিষয়ের প্রশ্ন। এর বাইরে আরও কয়েকটি বিষয়ের প্রশ্নও ফাঁস হওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামনে না এলেও প্রতিবছরই যে প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে এমন ধারণার ‘বিশ্বাসযোগ্যতা’ রয়েছে।

ঝুঁকি কোথায়?

সরকারি মুদ্রণালয় বিজি প্রেস থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্ন ছাপিয়ে পাঠানো হয় জেলা প্রশাসকদের কাছে। সেখান থেকে প্রশ্ন যায় উপজেলায়, এরপর নিয়ে যাওয়া হয় প্রতিটি কেন্দ্রে।

একজন পুলিশের উপস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাকে নিয়ে কেন্দ্র সচিব তার কেন্দ্রের প্রশ্ন ঠিকমত এসেছে কি না তা যাচাই করে উপজেলা ট্রেজারি বা থানার লকারে রাখেন। পরীক্ষার দিন সকালে একজন সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যকে নিয়ে নির্ধারিত বিষয়ের প্রশ্ন কেন্দ্রে নিয়ে যান কেন্দ্র সচিব।

এ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষার কয়েকদিন আগেই সব বিষয়ের প্রশ্ন উপজেলা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ায় এর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার যথেষ্ট কারণ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। পারস্পরিক যোগসাজশ বা কারও অবহেলায় যা ফাঁস হয়ে যেতে পারে বলে মনে করেন তারা।

কুড়িগ্রামের ভূরঙ্গামারীর ঘটনা এ দাবিরই প্রমাণ দিচ্ছে। সেখানে কারা কিভাবে প্রশ্ন ফাঁস করেছে তা নিয়ে তদন্ত চলছে, আটক করা হয়েছে ছয় জনকে। প্রাথমিকভাবে নাম এসেছে কেন্দ্র সচিবের।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কামরুল ইসলাম বলছেন, প্রশ্ন বাছাই ও আনা নেওয়ার দায়িত্বগুলো দেওয়া হয় ‘বিশ্বাস’ করে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “এখন মানুষ যদি বিশ্বাস না রাখে তাহলে কি করা। ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকতে হবে।”

‘বিশ্বাস’ দিয়ে যে প্রশ্নের নিরাপত্তা রক্ষা করা যায় না তা স্বীকার করে নিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার।

তার মতে, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রশ্ন ফাঁসের আশঙ্কা থাকবেই। যে কেউ অসদুপায় অবলম্বন করলে বা দায়িত্বে অবহেলা করলে এখানে প্রশ্ন ফাঁসের সুযোগ থাকে।

“কেন্দ্র সচিবকে আমাদের বিশ্বাস করতেই হয়, উনি একজন প্রধান শিক্ষক। এতদিন পর্যন্ত এভাবেই কাজ হয়েছে। কেন্দ্র সচিবের সঙ্গে দুইজন কর্মকর্তা থাকেন। হয়ত তাদের দায়িত্বে অবহেলা ছিল, সে কারণেই কেন্দ্র সচিব সুযোগটা পেয়েছে।”

এ বছর ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছে ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী।

অন্য কেন্দ্রেও এমন ঘটনার ঝুঁকি এড়ানো যায় না সে প্রসঙ্গ এনে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আলী আকবর খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে শিক্ষা কর্মকর্তা থাকেন, এর মধ্যে কেন্দ্র সচিব কিভাবে এটা করবেন? তাহলে তো এই ধরনের ঘটনা ঘটতেই পারে।”

প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে ২০১৮ সালে সরকারের তদন্ত কমিটিতে নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ প্রশ্ন রেখেছেন, বর্তমান পদ্ধতিতে প্রশ্ন সরবরাহে যে পরিমাণ মানুষ সম্পৃক্ত হন, সেখানে ‘বিশ্বাসের’ উপর কিভাবে ভরসা রাখা যায়?

“শিক্ষামন্ত্রী বললেন, প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস হল। এখন তো আমাদের আর কোনো আস্থা নেই, কারণ উনি না জেনেই কথা বলেন।”

অতি জনবল নির্ভর ও ব্যয়বহুল এই পদ্ধতি এড়াতে সরকারকে বারবার বলা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “এখন স্মার্টফোন সবার কাছে অ্যাভেইলেবল। সবগুলো কেন্দ্রে কেউ যে স্মার্টফোন নিয়ে প্রবেশ করছে না, সেটা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

“অনেকদিন প্রশ্ন ফাঁস হয়নি- সেটিও নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। এমনও হতে পারে, আমরা জানতে পারিনি।”

বিকল্প কি?

অধ্যাপক কায়কোবাদ বলছেন, সরকারি পর্যায়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির স্লোগান থাকলেও এক্ষেত্রে সেটি নিয়ে চিন্তাভাবনা হচ্ছে না। সেটি হলে কম্পিউটার, প্রিন্টার, ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে নিরাপদে প্রশ্ন পাঠিয়ে দেওয়া সম্ভব। এতে প্রশ্ন ফাঁসের ঝুঁকি কমবে, খরচও কমবে।

নীতি নির্ধারকদের বিভিন্ন সময়ে এ পদ্ধতি অনুসরণ করতে পরামর্শ দিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, “পরীক্ষা শুরুর এক ঘন্টা আগে প্রশ্নপত্র ছাপানো শুরু হবে। এজন্য যতগুলো প্রিন্টার দরকার, আমরা রাখব। এতে আর আগে প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না।

“যারা প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ছাপানো, কেন্দ্রে পৌঁছানোর কাজগুলো করছেন, তারা এ বিষয়গুলো জানেন। এখন প্রয়োজন বসে একটু ব্রেইন স্টর্মিং করা। নিজেদের সদিচ্ছা না থাকলে এ পদ্ধতিতে যাওয়া সম্ভব না।”

শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হাফিজুরও বলছেন, যাদের বিশ্বাস করে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তারাই প্রশ্ন ফাঁস করছেন। সে কারণেই বর্তমান ব্যবস্থায় প্রশ্ন ফাঁসের সুযোগ থাকার বিষয়টা এবারও প্রকাশ পেয়েছে।

“আমাদের প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে হবে। প্রশ্ন কেন্দ্রে যাওয়া পর্যন্ত পুরো পদ্ধতিই প্রযুক্তির মাধ্যমে করতে হবে। পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগে প্রশ্ন মেইল করে কেন্দ্রে সেটা প্রিন্ট করে পরীক্ষা নিলে প্রশ্ন ফাঁসের সুযোগ থাকবে না।”

প্রযুক্তির ব্যবহার ‘প্রশ্ন ফাঁস কমিয়েছে’ কারিগরিতে

কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ছয় মাস পরপর ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চারটি সেমিস্টারের পরীক্ষা হয় দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে। প্রতিটি পরীক্ষায় অংশ নেয় প্রায় চার লাখ শিক্ষার্থী। করোনাভারাস মহামারীর পর থেকে প্রশ্ন সরবরাহে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এর সুফল পাওয়ার কথা জানাচ্ছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান আলী আকবর খান। তিনি জানান, একসময় ডিপ্লোমার প্রশ্ন ফাঁস হত, সেটি ঠেকাতেই এই পদ্ধতিতে গিয়েছেন তারা।

“এখন কেউ বলতে পারছে না যে, প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে,” বলেন তিনি।

পাবলিক পরীক্ষায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে প্রশ্ন ফাঁস ঠেকানো যাবে আশা করে আলী আকবর বলেন, “একটা প্রশ্ন আগে নিয়ে যাওয়া আর পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পাওয়ার মধ্যে পার্থক্য আছে। পরীক্ষার্থীরা এর মধ্যে হলে ঢুকে যায়।

“প্রশ্ন যায় প্রিন্সিপালদের কাছে, তারাই সেটা প্রিন্ট দিতে পারেন, অন্যদের কাছে যাওয়ার সুযোগ থাকে না।”

বিকল্প ভাবছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডও

ম্যানুয়াল পদ্ধতি তুলে দেওয়ার কথা জানিয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার বলেন, “আমাদেরও এ ধরনের (ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার) চিন্তাভাবনা আছে।

তবে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারে কিছু প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন তিনি। বিশেষ করে দেশের সব জায়গায় ইন্টারনেট সংযোগের অপ্রতুলতার বিষয়টি তাদের কাছে প্রধান বাধা মনে হচ্ছে।

তিনি বলেন, “পাহাড়ি ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনেক কেন্দ্র রয়েছে। ওখানে নেটওয়ার্কিংয়ের অনেক সমস্যা আছে। যে কারণে পাবলিক পরীক্ষায় আমরা ডিজিটাল পদ্ধতি এখনও অনুসরণ করতে পারছি না। যখন ইন্টারনেট অ্যাক্টিভিটি বাড়বে, তখন হয়ত এটা হয়ে যাবে।”

তবে শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ হাফিজুর রহমান পাবলিক পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পদ্ধতি অনুসরণের তাগিদ দেন।

“যেহেতু একটি বোর্ড এ পদ্ধতি ব্যবহার করছে, সেটা নিয়ে আমরা চিন্তা করে দেখতে পারি। এতে প্রশ্ন যাচ্ছে কেন্দ্রের প্রধানের কাছে, অন্যান্যদের হাতে না। ওটিপি নম্বরের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র সে পাচ্ছে। এখানে জনবলের সম্পৃক্ততা কম থাকবে,” বলেন তিনি।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক