০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
“পাবলিক অপিনিয়ন যদি হয়, আবারও আমরা বসতে পারি।"
"আমরা ক্লাস সিক্স থেকে ক্লাস এইট পর্যন্ত নতুন শিক্ষাক্রমে পড়েছি। তারপর নাইন থেকে আবার পুরনো শিক্ষাক্রমে। এদিকে পরীক্ষা এগিয়ে আনা হল। আমরাই হই গিনিপিগ।”
এ দুই পরীক্ষার প্রস্তাবিত সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে।
যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শিক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটিকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাসহ ওই কেন্দ্রের উত্তরপত্র বিশেষ ব্যবস্থায় মূল্যায়ন করার কথা জানিয়েছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
আলাদা কেন্দ্র না থাকায় পাবলিক পরীক্ষার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সব শ্রেণির ক্লাস বন্ধ রাখতে হয়। তাতে শিক্ষার্থীরা ক্ষতির সম্মুখীন হয় বলে অভিযোগ করেন অনেকে।
উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ওই শিক্ষার্থীর ব্যবহৃত স্মার্টফোনে এ সংক্রান্ত কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ১৬ হাজার ১৮৪ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী।