Published : 05 Apr 2026, 07:10 PM
নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ভারত ও ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের মডেল পর্যালোচনা করে একটি বাজার কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার।
রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর এ উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
এদিন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনের শুরুতে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “দেশে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যৌক্তিক মূল্যে নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সক্রিয় রয়েছে।
“দেশে বাজার নিয়ন্ত্রণে ভারত ও ইন্দোনেশিয়াসহ অন্যান্য দেশের প্রচলিত মডেল পর্যালোচনা করে একটি আদর্শ মডেল তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য সম্প্রতি গবেষণা চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজকে (বিআইডিএস)।”
বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের আরো কয়েকটি পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরা হয়।
এতে বলা হয়, বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ‘দ্য কন্ট্রোল অব এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট, ১৯৫৬’ যুগোপযোগী করতে প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ভোজ্যতেলের দামের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পণ্যটির দাম মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারণ করা হয় এবং কাঁচামালের আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তা সমন্বয় করা হচ্ছে। চলতি পঞ্জিকা বছরে তিনবার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
ঢাকায় প্রতিদিন ‘ছয়টি বাজার অভিযান’
বাজার তদারকির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে ঢাকায় প্রতিদিন চারটি করে এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দুটি করে বাজার অভিযান চালানো হচ্ছে।
এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে অভিযান চালানো হচ্ছে। অনিয়ম ধরা পড়লে সতর্ক করার পাশাপাশি জরিমানাও করা হচ্ছে। রমজান ও অন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসব অভিযানের সংখ্যা বাড়ানো হয়।
ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে উৎপাদক, আমদানিকারক, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করার কথাও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, মন্ত্রী ও সচিবও একাধিকবোর আকস্মিক বাজার পরিদর্শন করেছেন। চট্টগ্রামের প্রধান পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ পরিদর্শন করে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছে।
এলপিজির সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে আমদানিকারক ও বিপণনকারীদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বলেও উত্তরে তুলে ধলা হয়।
জ্বালানিসহ ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানিকারক ও উৎপাদনকারীদের ব্যাংকিং সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার কথাও সংসদকে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
জেলা পর্যায়ে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্সের কার্যক্রম নিয়েও তিনি তথ্য দেন। উত্তরে বলা হয়, বড় আড়ৎ, গুদাম, কোল্ড স্টোরেজ, সাপ্লাই চেইনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি তদারকি করা হচ্ছে।
উৎপাদক, পাইকারি ও ভোক্তা পর্যায়ে দামের ব্যবধান কমিয়ে যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে এই টাস্কফোর্স নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও অভিযান চালাচ্ছে বলেও জানানো হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী, চেম্বারের প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য পর্যালোচনা ও নিয়ন্ত্রণ করছে বলেও সংসদকে জানান মন্ত্রী।
নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য টিসিবির কার্যক্রমের কথাও তুলে ধরা হয় উত্তরে। সেখানে বলা হয়, টিসিবি কার্ডের মাধ্যমে প্রায় এক কোটি মানুষকে ভর্তুকি মূল্যে চাল, সয়াবিন তেল, চিনি ও মশুর ডাল দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং দরিদ্র মানুষের কাছে সহজে নিত্যপণ্য পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
পাশাপাশি সিলেটে পরীক্ষামূলকভাবে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি পণ্য সংগ্রহ করে পাইলটভিত্তিতে কৃষি মার্কেট চালু করার তথ্যও দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এই উদ্যোগ সফল হলে তা সারা দেশে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
ভুটানের সঙ্গে পিটিএ, ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি
কুষ্টিয়া ২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল গফুরের প্রশ্নের জবাবে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির তথ্যও দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে। ২০২০ সালের ৬ ডিসেম্বর সই হওয়া এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ১০০টি পণ্য ভুটানের বাজারে এবং ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি ১৯৭২ সালে সই হয়, যা পরে সংশোধন ও পরিমার্জনের পর ২০১৫ সালে নবায়ন করা হয়েছে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সাউথ এশিয়ান ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট এবং এশিয়া প্যাসিফিক ট্রেড এগ্রিমেন্টের সদস্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ভারতের বাজারে স্বল্পোন্নত দেশের জন্য প্রদত্ত শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পাচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রীর ভাষ্য, সাউথ এশিয়ান ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্টের আওতায় বর্তমানে বাংলাদেশ ভারতে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে তামাক ও মদজাতীয় ২৫টি পণ্য ছাড়া প্রায় সব পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে।
ভারত থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে তুলা, সুতা, পেট্রোলিয়াম ও জ্বালানি পণ্য, বিদ্যুৎ, যন্ত্রপাতি ও শিল্প সরঞ্জাম, জৈব ও অজৈব রাসায়নিক দ্রব্য, খাদ্য ও কৃষিপণ্য, যানবাহন ও পরিবহন সরঞ্জাম, লোহা ও ইস্পাত পণ্য, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম এবং সার।
অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানি হয় তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও তেল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী, মাছ ও সামুদ্রিক খাবার ও কোমল পানীয়।
‘জুতা রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা’
ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে জুতার বাজার ৪০ হাজার কোটি ডলারের বেশি এবং এ খাতে বাংলাদেশের বড় সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি জানান, তৈরি পোশাক খাতের বাইরে রপ্তানি বহুমুখীকরণের লক্ষ্য নিয়ে চালু করা এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস বা ইসি ফোর জে প্রকল্পের আওতায় পাদুকা শিল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল, পাদুকা এবং প্লাস্টিক খাতের রপ্তানি সক্ষমতা, মান এবং কমপ্লায়েন্স বাড়ানোর কাজ চলছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পাদুকা শিল্পের কারখানাগুলোর ‘এনভায়রনমেন্টাল, সোশ্যাল অ্যান্ড কোয়ালিটি কমপ্লায়েন্স’ নিশ্চিত করতে মূল্যায়ন করা হয়েছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ডের আওতায় ১১০টি কারখানার উন্নয়নে ১৩৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার বিনিয়োগ সহায়তা বা ‘ম্যাচিং গ্র্যান্ট’ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া পণ্যের মানোন্নয়নের জন্য কারখানা পর্যায়ে ২ হাজার ৮০০ জনকে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশি পণ্যের গুণগত মান ও বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১০টি আন্তর্জাতিক মেলায় ৫৪টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে বলে লিখিত উত্তরে বলা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতা ও উৎপাদকের মধ্যে সংযোগ গড়ে তুলতে “এক্সপোর্টবাংলাদেশ ডট ওআরজি” নামে একটি রিয়েল টাইম মার্কেট ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হয়েছে।
পাদুকা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আধুনিক প্রযুক্তিসেবা ও দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে গাজীপুরের কাশিমপুরে “ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি সেন্টার ফর লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার” প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
তার ভাষ্য, এ কেন্দ্রের মাধ্যমে শিল্প কারখানায় নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি ব্যবহারে সহায়তা, পণ্যের মানোন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে রপ্তানি বাজারে পাদুকা পণ্যের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করা হবে।
জুতা রপ্তানির বাজার বাড়াতে চামড়া শিল্পের উন্নয়নে একটি রোডম্যাপ প্রণয়নের কাজও চলছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার আওতায় মোস্ট ফেভার্ড নেশন, স্পেশাল অ্যান্ড ডিফারেনশিয়াল ট্রিটমেন্ট এবং জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্স সুবিধা পেয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ উন্নত দেশগুলোতে জুতা রপ্তানি করছে বলেও সংসদকে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বিভিন্ন চুক্তির আলোকে বাংলাদেশের জুতা রপ্তানির সম্ভাবনা ভালো এবং এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগগুলো প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।
তিন দফা সমন্বয় হয়েছে ভোজ্যতেলের দাম
বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে চলতি পঞ্জিকা বছরে ভোজ্যতেলের দাম তিনবার সমন্বয় করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিগত পঞ্জিকা বছরে অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল ছিল।
অভিবাসন প্রক্রিয়ায় বেসরকারি এজেন্সির ভূমিকার কথা বললেন মন্ত্রী
শরীয়তপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য সফিকুর রহমান কিরণের প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বিদেশে অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে উন্নয়নের মূল ধারায় বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার অংশ হিসেবে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে লাইসেন্স দেওয়া হয়।
দুবাইসহ এশিয়ার উন্নত দেশে শ্রমবাজার সম্প্রসারণ এবং জনশক্তি রপ্তানি বাড়াতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
নীলফামারী-২ আসনের আলফারুক আব্দুল লতীফের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০২৫ সালে ১১ লাখ ৩২ হাজার ৫১৯ জনের বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে। এর মধ্যে ৬২ হাজার ৩৫২ জন নারী কর্মী রয়েছেন বলে তিনি জানান।
৪৮১ জনের গেজেট বাতিল
বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় তালিকাভুক্ত হওয়া অমুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আজম খান।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে তদন্ত ও যাচাই-বাছাই করে ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে।
সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মালিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, গত ১৫ বছরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলিত ছিলেন, আর অনেকেই ভুয়া তথ্য দিয়ে তালিকায় নাম তুলে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। তার ভাষায়, সিলেটের বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমার মতো এলাকাতেও এর প্রভাব পড়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলতে আসলে কিছু নেই। তবে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি অসাধু উপায়ে তালিকায় ঢুকে পড়েছে।”
তিনি আরও বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের উপকমিটি নিয়মিত শুনানি ও যাচাই-বাছাই করছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সনদ ও গেজেট বাতিল করা হবে।
প্রবাসে থাকা যেসব মুক্তিযোদ্ধা এখনও ডিজিটাল সনদ বা স্মার্ট আইডি পাননি, তাদের আবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত তা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।