Published : 15 Feb 2026, 12:01 PM
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলকে কেন্দ্র করে ‘অপতথ্য ও অনুমাননির্ভর বক্তব্য’ প্রচারিত হচ্ছে বলে দাবি করেছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর।
তারা রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, “মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ-এর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন মাধ্যমে নানা ধরনের অপতথ্য ও অনুমাননির্ভর বক্তব্য প্রচারিত হচ্ছে।
“প্রকৃতপক্ষে, ব্যক্তিগত কারণে তিনি নির্বাচনের কিছুদিন আগেই প্রধান উপদেষ্টার নিকট দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান। তবে নির্বাচন সন্নিকটে চলে আসায় মাঠ প্রশাসনের শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধে তিনি নির্বাচনকাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে সম্মত হন।”
নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার প্রস্তুতির মধ্যে শনিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করে অন্তর্বর্তী সরকার। তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া এতদিন প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের দায়িত্বে ছিলেন।
রশীদের নিয়োগ বাতিল নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধানের দপ্তর বলেছে, “বিষয়টি নিয়ে অহেতুক অনুমাননির্ভর তথ্য বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।”
আগামী সোমবার কিংবা মঙ্গলবার নতুন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান হওয়ার খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সাধারণত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছ থেকেই শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়ে থাকেন।
শেখ আব্দুর রশীদ শনিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন, “আমি কয়েক দিন আগে পদত্যাগ করেছি। আজ সেটা গ্রহণ করা হয়েছে।”
মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় দিনের মাথায় ১৩ অগাস্ট বিসিএস-৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা সাবেক অতিরিক্ত সচিব রশীদকে পল্লী কর্মসহায়ক ফাইন্ডেশন-পিকেএসএফের চেয়ারম্যান করা হয়।
তার চার দিনের মাথায় ১৭ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে কর্মজীবন শেষ করা ‘বঞ্চিত’ এ কর্মকর্তাকে সচিব পদমর্যাদায় ফিরিয়ে এনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব করা হয়। এরপর ৮ অক্টোবর দুই বছরের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পেয়েছিলেন আব্দুর রশীদ।