০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
‘বিভ্রান্তিকর বক্তব্য’ প্রচার থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে সরকারপ্রধানের দপ্তর।
“অন্যান্য নির্বাচনের চাইতে এবারের নির্বাচনে বেশি (সেনা) মোতায়েনের পার্থক্য হচ্ছে যেখানে সশস্ত্রবাহিনীকে ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।”
“আমরা বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ শুরু করি এবং মেটা, ফেইসবুক, টিকটক ও গুগলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করি।”
ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি মাত্র এক মাসে ৯৭টি এআই জেনারেটেড বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ছড়িয়েছে। এগুলো এসেছে ৬১৫টি পর্যবেক্ষণাধীন পেইজ ও প্রোফাইল থেকে।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে এই সেল গঠন করা হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, "সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানো সহজ, কিন্তু এটাকে থামানো কঠিন।"
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান পরিচালনার সুপারিশ এসেছে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে।
রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় গোষ্ঠী, বিদেশি ও প্রবাসী প্রভাব বিস্তারকারী-সবাই যেন এক ধরনের ‘ডিজিটাল প্রতিযোগিতায়’ নেমেছে, বলছে গবেষণা প্রতিবেদন।