২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

‘সেরা জয়’ পাওয়ার আনন্দ আলভারেসের

দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, এন্সো ফের্নান্দেসের জয়সূচক গোলটি নিয়ে মুগ্ধতা ঝরল এই ফরোয়ার্ডের কণ্ঠে।

‘সেরা জয়’ পাওয়ার আনন্দ আলভারেসের
হুলিয়ান আলভারেস। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Jul 2026, 08:30 AM

Updated : 15 Sep 2026, 09:57 AM

পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা, লিওনেল মেসির পেনাল্টি মিস, এক পর্যায়ে দুই গোল হজম করে ছিটকে যাওয়ার ভয়, এরপর তিন গোল করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখা- কী ছিল না এই ম্যাচে? আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেস কাছে তাই, মিশরের বিপক্ষে পাওয়া জয়টিই সাম্প্রতিক সময়ের জয়গুলোর মধ্যে সেরা মনে হচ্ছে।

আটলান্টায় উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে মিশরকে ৩-২ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। দুই গোলে পিছিয়ে থাকা দলকে, খাঁদের কিনারা থেকে টেনে তোলেন ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিওনেল মেসি ও এন্সো ফের্নান্দেস। 

৭৯তম মিনিটে রোমেরোর লক্ষ্যভেদের চার মিনিট পর সমতার স্বস্তি এনে দেন শুরুতে পেনাল্টি মিস করা মেসি। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে ফের্নান্দেসের হেডে জয়ের ঠিকানায় পৌঁছে যায় চ্যাম্পিয়নরা। 

ফের্নান্দেসের গোলটি নিয়ে উচ্ছ্বাস ঝরল আলভারেসের কণ্ঠে। ক্লাব ফুটবলে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন আর ভাবছেন না তিনি। ২৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের পুরো মনোযোগ বিশ্বকাপে।

“আমি কোয়ার্টার-ফাইনাল নিয়ে, এখন সামনে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো নিয়ে ভাবছি। আপাতত সেদিকে মনোযোগ দিই। অসাধারণ ও আবেগপূর্ণ জয়। ২-০ গোলে পিছিয়ে আমরা (দ্বিতীয় হাইড্রেশন ব্রেক) বিরতিতে গিয়েছিলাম। তবে আমরা নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলাম যে, শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

“আমরা জানতাম, সুযোগ পাব এবং গোলগুলো এলো। দর্শনীয় একটি গোল করল ফের্নান্দেস। আমি তাকে বক্সে ঢুকতে দেখৱলাম। লাউতারো (মার্তিনেস) ওই সময় দেখার মতো একটা ক্রস দিল, দুর্দান্ত একটি গোল করল ফের্নান্দেস।”

ম্যাচের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিঃসন্দেহে এটি আর্জেন্টিনার স্মরণীয় জয়গুলোর একটি। চলতি বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য সব কাণ্ড ঘটছে- উল্লেখ করে আলভারেস বললেন, পাগলাটে একটা ম্যাচ খেললেন তারা।

“ম্যাচে যা কিছু ঘটেছে, তাতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি আমাদের পাওয়া সেরা জয়গুলোর একটি। বিশ্বকাপে এমন একটি ম্যাচে, এভাবে ঘুরে দাঁড়ানো অবিশ্বাস্য। সাধারণত আমি আবেগপ্রবণ হই না, কিন্তু আজ ম্যাচের শেষ দিকে হয়ে পড়েছিলাম। আমি আসলেই এটা অনুভব করেছি, খুবই আবেগের ছিল। কেননা, এই দলটি যা করেছে, তা অবিশ্বাস্য।”