Published : 07 Sep 2025, 12:23 PM
গত তিনটি সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এবার সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন বেশি এসেছে, যেখানে সীমানা কাঁটাছেড়া করা হয়েছে ৫২ আসনে।
এরমধ্যে গাজীপুরে একটি আসন বেড়েছে আর কমেছে বাগেরহাটে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ৩০০ আসনের সীমানা চূড়ান্ত করে বৃহস্পতিবার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, এ সীমানায় ভোট হবে এবার।
এবার সংসদী আসনের সীমানা নির্ধারণে উপজেলা যেমন অখণ্ড রয়েছে, তেমনি কোথাও কোথাও উপজেলার ইউনিয়ন একাধিক আসনে অদলবদল হয়েছে।
যে কারণে গেজেট প্রকাশের পরই ফরিদপুর, বাগেরহাটে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এলাকার অনেকে।
সীমানা নির্ধারণ আইন মেনে ও ভোটার সমতা এনে সীমানা পুনঃনির্ধারণের নীতিমালা অনুসরণ এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মতামতের ভিত্তিতে বিশেষায়িত কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী সংসদীয় আসনের সীমানার খসড়া প্রস্তাব করে নির্বাচন কমিশন।
সংসদীয় ৩০০ আসনের মধ্যে কমিশন ৩৯টি আসনে পরিবর্তন এনে গেল ৩০ জুলাই প্রকাশ করা হলেও পরে ৮৪টি আসনের বিষয়ে দেড় সহস্রাধিক দাবি-আপত্তি আবেদন পড়ে।
এক মাসের মধ্যে দাবি-আপত্তি নেওয়ার পর শুনানি শেষে তা চূড়ান্ত করা হয়।
জাতীয় নির্বাচনের আগে সীমানা পুননির্ধারণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ২০২৩ সালে সীমানা পুননির্ধারণ হয়। গেল বছর তৎকালীন সরকারের পতনের পর এবাব নতুন করে সীমানা নির্ধারণ করতে হল।
আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে রোজার আগে ভোট হবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের।
এ কারণে দুই বছরের মধ্যে ৩০০ আসনের সীমানা চূড়ান্ত করল নির্বাচন কমিশন।
এরমধ্যে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের যে সীমানায় ভোট হয়েছিল, একই সীমানা এবার প্রায় আড়াইশত আসনে বহাল রয়েছে। আর প্রায় অর্ধশত আসনে পরিবর্তন এসেছে।
নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, “সম্পূর্ণ পেশাদারত্ব দিয়ে, আইন মেনে, নিরপেক্ষতা বজায় রেখে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এ সীমানা পুনির্ধারণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন আসনওয়ারি নির্বাচন প্রস্তুতি এবং ভোটার তালিকা থেকে অন্যান্য সব কাজ আরও দৃশ্যমান হল।”
নির্বাচন কমিশন-ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, সীমানা নির্ধারণে আর ক্ষোভ, আন্দোলন করার সুযোগ নেই। এ নিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েও লাভ নেই। সীমানা পুননির্ধারণের এখতিয়ার ইসির, এ নিয়ে কারো প্রশ্ন রাখার আর অবকাশ নেই।
১৯৮৪ ও ১৯৯১ সালের পর ২০০৮ সালে সংসদীয় আসনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। নবম সংসদ নির্বাচনের জন্য ১৩৩ আসনে সীমানা পরিবর্তনের প্রস্তাব করে ইসি।
সবশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ৩৮টি আসনে দাবি-আপত্তির আবেদন তখন এক ডজন আসনে সামান্য পরিবর্তন আনা হয়।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৮ সালে ২৫টি আসনে ছোটোখাটো পরিবর্তন আনা হয়।
দশম সংসদ নির্বাচনের আগে ৮৭টি সংসদীয় আসনে পরিবর্তন আনা হলেও ৫০ আসনে ছোটোখাটো পরিবর্তন করে ২০১৩ সালে সীমানা চূড়ান্ত করা হয়।

এবার যত কাটাছেঁড়া
পঞ্চগড়-১ ও ২: জেলার এ দুটি আসনের খসড়া সীমানায় যে প্রস্তাব দিয়েছিল ইসি, তা নিয়ে আপত্তির পর ফের পরিবর্তন হয়েছে। একটি পৌরসভার ওয়ার্ড সমন্বয় করা হয়েছে।
রংপুর-১ ও ৩: ইসি রংপুর-১ এর সীমানা আগের মতো রাখতে চেয়েছিল, শুনানিতে আপত্তি আসায় একটি ওয়ার্ড যুক্ত করে পরিবর্তন এনেছে। রংপুর-৩ এর সীমানায় সেনানিবাস এলাকা যুক্ত করে ইসির প্রস্তাব বহাল রাখা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ-১ ও ২: কমিশন যেভাবে পরিবর্তন এনে খসড়া সীমানা দিয়েছিল, দাবি-আপত্তি আমলে না নিয়ে এ সীমানা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
পাবনা-১ ও ২: এ দুই আসনে আগের মতো রাখতে চাইলেও আপত্তির মধ্যে ইউনিয়নগুলো বাদ দিয়ে উপজেলার অখণ্ডতা রেখে সীমানায় পরিবর্তন এনেছে ইসি।
বাগেরহাট-১, ২ ও ৩: এ জেলায় চারটি থেকে আসন একটি কমানোর প্রস্তাব করে ইসি, সে অনুযায়ী তিন আসনই চূড়ান্ত করা হয়েছে। বাগেরহাট-১ আসন আগের মতো রেখেছিল; কিন্তু শুনানির পর সদর উপজেলা বদল করে নতুন সীমানা চূড়ান্ত করে।
একটি আসন কমানোয় দাবি-আপত্তির মধ্যে খসড়া সীমানায় পরিবর্তন এনে ফকিরহাট ও কচুয়া উপজেলা বাগেরহাট-২ ও বাগেরহাট-৩ আসনের মধ্যে অদলবদল করে চূড়ান্ত করা হয়।
সাতক্ষীরা-২, ৩ ও ৪: ইউনিয়ন ভাগাভাগি না করে উপজেলার অখণ্ডতা রাখা হয়েছে এ জেলায়। সাতক্ষীরা-২ আসন আগের মতো একটি উপজেলা নিয়ে করতে চেয়েছিল ইসি; চূড়ান্তভাবে এ আসনে আরেকটি উপজেলা যুক্ত করা হয়।
সাতক্ষীরা ৩ ও ৪ আসনে শ্যমনগর ও আশাশুনি উপজেলা অখণ্ড রেখে খসড়া সীমানা রাখলেও পরে সরে এসেছে কমিশন; সেক্ষেত্রে ভোটার সমতা রাখতে একটি উপজেলাকে অন্য আসনে যুক্ত করে সীমানা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জ-২ ও ৩: এ দুটি আসন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের মতোই রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু চূড়ান্ত গেজেটে একটি ইউনিয়ন অদলবদল করা হয়।
ঢাকা-২, ৪, ৫, ৭, ১০, ১৪ ও ১৯: ঢাকার ছয়টি আসনে পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছিল ইসি; এরমধ্যে আটটি আসন নিয়েও দাবি-আপত্তি আসে। সেক্ষেত্রে ঢাকা-৩ আসন আগের সীমানায় ফিরেছে। ঢাকা-২ আসনের তিনটি ইউনিয়ন যুক্ত হয়েছে ঢাকা-১৪ ও ঢাকা ১৯ এ। কাউন্দিয়া, বনগাঁও ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন এ দুটি আসনে যুক্ত করে গেজেট করা হয়।
বাকি চারটি আসন খসড়ায় যে পরিবর্তন চেয়েছিল, কারো আপত্তি আমলে না নিয়ে তা বহাল রাখা হয়েছে।
গাজীপুর-১, ২, ৩, ৫ ও ৬: এ জেলায় একটি আসন বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে গাজীপুর-৪ আসনটি আগের সীমানায় রেখে চারটি আসনে যে পরিবর্তন প্রস্তাব করেছিল; তাতেও ওয়ার্ড অদলবদল করা হয়েছে। গেজেটে উপজেলা অখণ্ড রেখে ওয়ার্ড সমন্বয় করা হয়েছে, নতুন আসন গাজীপুর-৬ এ দেওয়া হয়েছে সিটির ২৩টি ওয়ার্ড।
নারায়ণগঞ্জ-৩, ৪ ও ৫: এ তিনটি আসনেই পরিবর্তন চেয়েছিল ইসি; শুনানিতে এলাকাবাসীর দাবি-আপত্তির পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সিটির ১০টি ওয়ার্ড ও বন্দর উপজেলা নারায়ণগঞ্জ-৩ ও ৫ আসনে দিয়ে সীমানা চূড়ান্ত করা হয়। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনটি ইসি যেমন প্রস্তাব করেছিল তেমনি রেখেছে।
ফরিদপুর-২ ও ৪: এ দুটি জেলা আগের সীমানায় রেখে খসড়া দিয়েছিল ইসি। কিন্তু দাবি আপত্তির মধ্যে ভাঙ্গা উপজেলার দুটি ইউপি আলগী ও হামিরদী ফরিদপুর-২ এ দিয়ে গেজেট করা হয়।
শরীয়তপুর-২ ও ৩: জেলার এ দুটি আসনে অখণ্ড উপজেলা রাখতে চেয়েছিল ইসি। শুনানির পর সার্বিক দিক বিবেচনা করে ভেদরগঞ্জের ৯টি ইউনিয়ন একটি আসনে, বাকি চারটি ইউনিয়ন আরেকটি আসনে যুক্ত করে চূড়ান্ত সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সিলেট ১ ও ৩: এ দুটি আসনে সিটির কয়েকটি ওয়ার্ডে অদলবদলের প্রস্তাব করেছিল; কিন্তু শুনানিতে সন্তুষ্ট হয়ে গত সংসদ নির্বাচনের সীমানায় ফিরে গেছে ইসি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩: জেলার এ দুটি আসন গত নির্বাচনের সময়ও অখন্ড উপজেলা ছিল। এবার ইসি বিজয়নগর উপজেলার ইউনিয়ন দুটি আসনে ভাগ করে খসড়া প্রকাশ করে। দাবি-আপত্তি শুনে বিজয়নগর উপজেলার বুধস্তি, চান্দুয়া ও হরষপুর ইউনিয়ন একটি আসনে, বাকি আটটি ইউনিয়ন অন্য আসনে রেখে গেজেট করা হয়েছে।
কুমিল্লা-১, ২, ৬ ও ১০: ইসি এ জেলায় চারটি আসনে পরিবর্তন এনে খসড়া করেছিল। এরমধ্যে শুনানির পরও কুমিল্লা ১ ও ২ আসনের সীমানা নিয়ে ইসির প্রস্তাবই বহাল রেখেছে। তবে কুমিল্লা ১০ আসনের সদর দক্ষিণ উপজেলা যুক্ত করা হয়েছে কুমিল্লা-৬ এর সঙ্গে। এখন নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলা রেখে কুমিল্লা ১০ আসনের সীমানা চূড়ান্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি কুমিল্লা-১১ আগের সীমানায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।
নোয়াখালী-১, ২, ৪ ও ৫: এ জেলার চারটি আসনে সদর উপজেলা ও সোনাইমুড়ীর কিছু ইউনিয়ন ভাগাভাগি করে পরিবর্তন এনে যেমন খসড়া প্রকাশ করেছিল, আপত্তি শুনানি আমলে না নিয়ে একই সীমানা চূড়ান্ত করেছে ইসি।
চট্টগ্রাম-৭ ও ৮: এ দুটি আসন ইসি যেমন প্রস্তাব করেছিল, চূড়ান্ত সীমানায় তাই বহাল রাখা হয়েছে।
|
আসন |
দ্বাদশ |
২০২৫ খসড়া |
ত্রয়োদশ চূড়ান্ত |
|
পঞ্চগড়-১ |
পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া উপজেলা, আটোয়ারী উপজেলা |
পঞ্চগড় সদর ও তেঁতুলিয়া উপজেলা এবং আটোয়ারী উপজেলা [বোদা পৌরসভার ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড ব্যতীত] |
পঞ্চগড় সদর ও তেতুলিয়া উপজেলা এবং আটোয়ারী উপজেলা [বোদা পৌরসভার অংশ বাদে] |
|
পঞ্চগড়-২ |
বোদা, দেবীগঞ্জ উপজেলা |
বোদা উপজেলার ইউনিয়নসমূহ, বোদা পৌরসভার ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড; দেবীগঞ্জ উপজেলা |
বোদা উপজেলার ইউনিয়নসমূহ, বোদা পৌরসভা এবং দেবীগঞ্জ উপজেলা |
|
রংপুর-১ |
গঙ্গাচড়া উপজেলা রংপুর সিটির ওয়ার্ড ১-৮ |
|
গঙ্গাচড়া উপজেলা; রংপুর সিটির ওয়ার্ড ১-৯ |
|
রংপুর-৩ |
রংপুর সদর উপজেলা, ওয়ার্ড ১-৮ ছাড়া রংপুর সিটি করপোরেশন |
রংপুর সদর উপজেলা, ১ থেকে ৮ নম্বর ওয়ার্ড ব্যতীত রংপুর সিটি করপোরেশন; রংপুর সেনানিবাস এলাকা |
রংপুর সদর উপজেলা, ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড ব্যতীত রংপুর সিটি করপোরেশন; রংপুর সেনানিবাস এলাকা |
|
সিরাজগঞ্জ-১ |
কাজীপুর, সদর উপজেলার মেছড়া, রতনকান্দি, বাগবাটি, ছোনগাছা, বহুলী ইউনিয়ন |
কাজীপুর উপজেলা এবং সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মেছড়া, রতনকান্দি, বাগবাটি ও ছোনগাছা ইউনিয়ন |
কাজীপুর উপজেলা এবং সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মেছড়া, রতনকান্দি, বাগবাটি ও ছোনগাছা ইউনিয়ন |
|
সিরাজগঞ্জ-২ |
মেছড়া, রতনকান্দি, বাগবাটি, ছোনগাছা, বহুলী ইউনিয়ন ছাড়া সদর উপজেলা ও কামারখন্দ উপজেলা |
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাহুলী, শিয়ালকোল, খোকশাবাড়ী, কাওয়াকোলা, কালিয়াহরিপুর ও সয়দাবাদ ইউনিয়ন, সিরাজগঞ্জ পৌরসভা ও কামারখন্দ উপজেলা |
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাহুলী, শিয়ালকোল, খোকশাবাড়ী, কাওয়াকোলা, কালিয়াহরিপুর ও সয়দাবাদ ইউনিয়ন, সিরাজগঞ্জ পৌরসভা ও কামারখন্দ উপজেলা |
|
পাবনা-১ |
সাঁথিয়া উপজেলা, বেড়া উপজেলার- বেড়া পৌরসভা, হাটুরিয়া নাকালিয়া, নতুন ভারেংগা, চাকলা ও কৈটোলা ইউপি |
|
সাঁথিয়া উপজেলা |
|
পাবনা-২ |
সুজানগর উপজেলা এবং বেড়া পৌরসভা, হাটুরিয়া নাকালিয়া, নতুন ভারেংগা, চাকলা ও কৈটোলা ইউপি ছাড়া বেড়া উপজেলার বাকি অংশ। |
|
সুজানগর উপজেলা বেড়া উপজেলা |
|
বাগেরহাট-১ |
ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী উপজেলা |
|
বাগেরহাট সদর, মোল্লাহাট ও চিতলমারী উপজেলা |
|
বাগেরহাট-২ |
সদর উপজেলা ও কচুয়া উপজেলা |
বাগেরহাট সদর, কচুয়া ও রামপাল উপজেলা |
ফকিরহাট, রামপাল ও মোংলা উপজেলা |
|
বাগেরহাট-৩ |
রামপাল ও মোংলা উপজেলা |
মোংলা, মোড়েলগঞ্জ এবং শরণখোলা উপজেলা |
কচুয়া, মোড়েলগঞ্জ এবং শরণখোলা উপজেলা |
|
বাগেরহাট-৪ |
মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা |
|
বিলুপ্ত |
|
সাতক্ষীরা-২ |
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা |
|
সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলা |
|
সাতক্ষীরা-৩ |
আশাশুনি ও দেবহাটা উপজেলা; কালীগঞ্জের চম্পাফুল, ভাড়াশিমলা, তারালী ও নলতা ইউনিয়ন |
কালীগঞ্জ ও দেবহাটা উপজেলা |
কালীগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলা |
|
সাতক্ষীরা-৪ |
শ্যামনগর উপজেলা এবং চম্পাফুল, ভাড়াশিমলা, তারালী ও নলতা ইউপি ছাড়া কালিগঞ্জ উপজেলা |
আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলা |
শ্যামনগর উপজেলা |
|
মানিকগঞ্জ-২ |
সিঙ্গাইর, হরিরামপুর উপজেলা এবং সদর উপজেলার হাটিপাড়া ভাড়ারিয়া ও পুটাইল ইউনিয়ন |
|
সিঙ্গাইর, হরিরামপুর উপজেলা এবং সদর উপজেলার হাটিপাড়া ও ভাড়াটিয়া ইউনিয়ন |
|
মানিকগঞ্জ-৩ |
হাটিপাড়া ভাড়ারিয়া ও পুটাইল ইউপি ছাড়া মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা; সাটুরিয়া উপজেলা |
|
হাটিপাড়া ও ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন ব্যতীত সদর উপজেলা এবং সাটুরিয়া উপজেলা |
|
ঢাকা-২ |
জিনজিরা, আগানগর, তেঘরিয়া, কোন্ডা, শুভাঢ্যা ছাড়া কেরানীগঞ্জ উপজেলার বাকি ইউনিয়ন; দক্ষিণ সিটির ৫৫-৫৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং সাভার উপজেলার আমিনবাজার, তেঁতুলঝরা ও ভাকুর্তা |
কেরানীগঞ্জ উপজেলার তাড়ানগর, কালাতিয়া, হজরতপুর, রুহিতপুর ও শাক্তা ইউনিয়ন; সাভার উপজেলার আমীনবাজার, তেতুলজোড়া, ভাকুর্তা, কাউন্দিয়া, বনগাঁও ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন |
কেরানীগঞ্জ উপজেলার তাড়ানগর, কালাতিয়া, হজরতপুর, রুহিতপুর, শাক্তা, কালিন্দি ও ভাস্তা ইউনিয়ন এবং সাভার উপজেলার আমীনবাজার, তেতুলজোড়া, ভার্কুতা ইউনিয়ন |
|
ঢাকা-৩ |
কেরানীগঞ্জ উপজেলার জিনজিরা, আগানগর, তেঘরিয়া, কোন্ডা, শুভাঢ্যা। |
কেরানীগঞ্জ উপজেলার জিনজিরা, আগানগর, তেঘরিয়া, কোন্ডা, শুভাঢ্যা, ভাস্তা ও কালিন্দী ইউনিয়ন |
দ্বাদশের সীমানা বহাল |
|
ঢাকা-৪ |
দক্ষিণ সিটির ৪৭, ৫১-৫৪, ৫৮ ও ৫৯ নম্বর ওয়ার্ড |
|
ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৪৭ ও ৫১ থেকে ৫৪ এবং ৫৮ থেকে ৬১ নম্বর ওয়ার্ড |
|
ঢাকা-৫ |
ঢাকা দক্ষিণের ৪৮-৫০, ৬০-৭০ নম্বর ওয়ার্ড |
|
ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৪৮-৫০, ৬২ থেকে ৭০ নম্বর ওয়ার্ড |
|
ঢাকা- ৭ |
ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৩-৩৬ নম্বর ওয়ার্ড |
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৩ থেকে ৩৩,৩৫, ৩৬, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড |
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৩ থেকে ৩৩, ৩৫, ৩৬, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড |
|
ঢাকা-১০ |
দক্ষিণের ১৪-১৮ এবং ২২ নম্বর ওয়ার্ড |
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪ থেকে ১৮,২২ ও ৫৫ নম্বর ওয়ার্ড |
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪ থেকে ১৮, ২২ ও ৫৫ নম্বর ওয়ার্ড |
|
ঢাকা-১৪ |
উত্তরের ৭-১৩ নম্বর ওয়ার্ড ও সাভারের কাউন্দিয়া |
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭ থেকে ১২ নম্বর ওয়ার্ড |
ঢাকা উত্তর সিটির ৭ থেকে ১২ নম্বর ওয়ার্ড এবং সাভার উপজলোর কাউন্দিয়া ও বনগাঁও ইউনিয়ন |
|
ঢাকা-১৯ |
আমিন বাজার, তেঁতুলঝোড়া, ভাকুর্তা ও কাউন্দিয়া ছাড়া সাভার উপজেলার বাকি ইউপি |
সাভার উপজেলার শিমুলিয়া, ধামসোনা, ইয়ারপুর, আশুলিয়া, পাথালিয়া ও সাভার ইউনিয়ন; সাভার পৌরসভা; সাভার সেনানিবাস এলাকা |
সাভার উপজেলার শিমুলিয়া, ধামসোনা, ইয়ারপুর, আশুলিয়া, বিরুলিয়া, পাথালিয়া ও সাভার ইউনিয়ন; সাভার পৌরসভা; সাভার সেনানিবাস এলাকা |
|
গাজীপুর-১ |
কালিয়াকৈর উপজেলা; গাজীপুর সিটির ১-১৮ নম্বর ওয়ার্ড |
কালিয়াকৈর উপজেলা, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ১২ নম্বর ওয়ার্ড |
কালিয়াকৈর উপজেলা এবং গাজীপুর সিটির ৭ থেকে ১২ নম্বর ওয়ার্ড |
|
গাজীপুর-২ |
গাজীপুর সিটির ১৯-৩৯ নম্বর ওয়ার্ড; ৪৩-৫৭ নম্বর ওয়ার্ড; গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকা |
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১৩ থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড; গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়িয়া ইউনিয়ন |
গাজীপুর সিটির ১ থেকে ৬ ও ১৩ থেকে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড এবং গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়িয়া ইউনিয়ন |
|
গাজীপুর-৩ |
শ্রীপুর, গাজীপুর সদরের মির্জাপুর, ভাওয়ালগড়, পিরুজালী ইউনিয়ন |
শ্রীপুর উপজেলা এবং গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর, ভাউয়াল গড় ও পিরুজালী ইউনিয়ন এবং গাজীপুর সেনানিবাস |
শ্রীপুর উপজেলা এবং গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর, ভাউয়াল গড় ও পিরুজালী ইউনিয়ন এবং গাজীপুর সেনানিবাস |
|
গাজীপুর-৫ |
কালীগঞ্জ, গাজীপুর সিটির ৪০-৪২ নম্বর ওয়ার্ড, গাজীপুর সদরের বাড়িয়া ইউপি |
কালীগঞ্জ উপজেলা |
কালীগঞ্জ উপজেলা এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪০ থেকে ৪২ নম্বর ওয়ার্ড |
|
গাজীপুর-৬ |
আগে ছিল না |
নতুন আসন: গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩৪ থেকে ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড |
গাজীপুর সিটির ৩২ থেকে ৩৯ এবং ৪৩ থেকে ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড |
|
নারায়ণগঞ্জ-৩ |
সোনারগাঁও উপজেলা |
সোনারগাঁও ও বন্দর উপজেলা |
সোনারগাঁও ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা[নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ১০ নম্বর ওয়ার্ড] |
|
নারায়ণগঞ্জ-৪ |
আলীরটেক, গোগনগর ইউপি ছাড়া সদর উপজেলার বাকি ইউপি, সিটির ১-১০ নম্বর ওয়ার্ড |
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা, এনায়েতপুর, বক্তাবলী, কাশিপুর, কুতুবপুর, গোগনগর ও আলীরটেক ইউনিয়ন |
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা, এনায়েতপুর, বক্তাবলী, কাশিপুর, কুতুবপুর, গোগনগর ও আলিরটেক ইউনিয়ন |
|
নারায়ণগঞ্জ-৫ |
সদর উপজেলার আলীরটেক, গোগনগর, বন্দর ও সিটির ১১-২৭ নম্বর ওয়ার্ড |
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন |
নারায়ণগঞ্জ সিটির ১১ থেকে ২৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং বন্দর উপজেলা |
|
ফরিদপুর-২ |
নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা |
|
নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা; ভাঙ্গা উপজেলার আলগি ও হামিরদি ইউপি। |
|
ফরিদপুর-৪ |
ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলা |
|
আলগি ও হামিরদি ইউনিয়ন ব্যতীত ভাঙ্গা উপজেলা, চরভদ্রাসন এবং সদরপুর উপজেলা |
|
শরীয়তপুর-২ |
নড়িয়া ও সখিপুর থানা |
নড়িয়া উপজেলা এবং ভেদরগঞ্জ উপজেলা (ভেদরগঞ্জ ও সখীপুর থানা) |
নড়িয়া উপজেলা এবং ভেদরগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়নসমূহ [সখীপুর থানা: আর্শিনগর, কাচিকাটা, চরকুমারিয়া, চরভাগা, চরসেনছাস, উত্তর তারাবুনিয়া, দক্ষিণ তারাবুনিয়া, ডিএম খালি ও সখিপুর ইউনিয়ন] |
|
শরীয়তপুর-৩ |
ডামুড্যা, গোসাইরহাট উপজেলা ও ভেদরগঞ্জ থানা |
ডামুড্যা উপজেলা এবং গোসাইরহাট উপজেলা |
ডামুড্যা ও গোসাইরহাট উপজেলা এবং ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও, নারায়ণপুর, মহিষার ও রামভদ্রপুর ইউনিয়ন এব ভেদরগঞ্জ পৌরসভা |
|
সিলেট-১ |
সিটি ওয়ার্ড ১-২৭, ৩১-৩৯, সিলেট সদর |
সিলেট সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ২৪,৩১ থেকে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড এবং সিলেট সদর উপজেলা |
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের সীমানা বহাল |
|
সিলেট-৩ |
সিটি ওয়ার্ড ২৮-৩০, ৪০-৪২; দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ |
সিলেট সিটি করপোরেশনের ২৫ থেকে ৩০,৪০, ৪১,৪২ নম্বর ওয়ার্ড |
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের সীমানা বহাল |
|
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ |
সরাইল, আশুগঞ্জ |
সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলা এবং বিজয়নগর উপজেলার বুধস্তি, চান্দুয়া ও হরষপুর ইউনিয়ন |
সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলা এবং বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ও চান্দুয়া ইউনিয়ন |
|
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ |
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর |
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এবং বিজয়নগর উপজেলার ইছাপুর, চম্পানগর, পত্তন, দক্ষিণ সিংগারবিল, বিষ্ণপুর, চর ইসলামপুর ও পাহাড়পুর ইউনিয়ন |
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এবং বিজয়নগর উপজেলার ইছাপুর, চম্পানগর, পত্তন, দক্ষিণ সিংগারবিল, বিষ্ণপুর, চর ইসলামপুর, পাহাড়পুর ও হরষপুর ইউনিয়ন |
|
কুমিল্লা-১ |
দাউদকান্দি, তিতাস |
দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলা |
দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলা |
|
কুমিল্লা-২ |
হোমনা, মেঘনা |
হোমনা ও তিতাস উপজেলা |
হোমনা ও তিতাস উপজেলা |
|
কুমিল্লা-৬ |
কুমিল্লা আদর্শ সদর, কুমিল্লা সিটি ও কুমিল্লা সেনানিবাস |
|
কুমিল্লা আদর্শ সদর, সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা সেনানিবাস ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা |
|
কুমিল্লা-১০ |
সদর দক্ষিণ, লালমাই ও নাঙ্গলকোট |
নাঙ্গলকোট ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা |
নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলা |
|
কুমিল্লা-১১ |
চৌদ্দগ্রাম |
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা |
আগের সীমানা বহাল |
|
নোয়াখালী-১ |
চাটখিল উপজেলা, বারগাঁও, নাটেশ্বর, অম্বরনগর ও বজরা ইউপি ছাড়া সোনাইমুড়ী উপজেলার বাকি ইউপি |
চাটখিল উপজেলা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ, নদনা, চাষীরহাট, বজরা, সোনাপুর, দেওটি ও আমিশাপাড়া ইউনিয়ন এবং সোনাইমুড়ী পৌরসভা |
চাটখিল উপজেলা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ, নদনা, চাষীরহাট, বজরা, সোনাপুর, দেওটি ও আমিশাপাড়া ইউনিয়ন এবং সোনাইমুড়ী পৌরসভা |
|
নোয়াখালী-২ |
সেনবাগ উপজেলা; সোনাইমুড়ীর বারগাঁও, নাটেশ্বর, অম্বরনগর ও বজরা ইউপি |
সেনবাগ উপজেলা; সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও, নাটেশ্বর ও অম্বর নগর |
সেনবাগ উপজেলা, সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও, নাটেশ্বর ও অম্বর নগর ইউনিয়ন |
|
নোয়াখালী-৪ |
সুবর্ণচর ও নোয়াখালী সদর |
সুবর্ণচর উপজেলা এবং নোয়াখালী সদর উপজেলার চরমটুয়া, দাদপুর, নোয়ান্নই, কাদিরহানিফ, বিনোদপুর, নোয়াখালী, ধর্মপুর, এওজবালিয়া, কালাদরাগ, পূর্ব চরমটুয়া ও আন্ডারচর ইউনিয়ন, নোয়াখালী পৌরসভা |
সুবর্ণচর উপজেলা এবং নোয়াখালী সদর উপজেলার চরমটুয়া, দাদপুর, নোয়ান্নই, কাদিরহানিফ, বিনোদপুর, নোয়াখালী, ধর্মপুর, এওজবালিয়া, কালাদরাগ, পূর্ব চরমটুয়া ও আন্ডারচর ইউনিয়ন, নোয়াখালী পৌরসভা |
|
নোয়াখালী-৫ |
কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট |
কবিরহাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা এবং নোয়াখালী সদর উপজেলার আশ্বদিয়া ও নেয়াজপুর ইউনিয়ন |
কবিরহাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা এবং নোয়াখালী সদর উপজেলার আশ্বদিয়া ও নেয়াজপুর ইউনিয়ন |
|
চট্টগ্রাম-৭ |
রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর-খরনদ্বীপ ইউপি |
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা |
রাংগুনিয়া উপজেলা |
|
চট্টগ্রাম-৮ |
শ্রীপুর-খরনদ্বীপ ইউপি ছাড়া বোয়ালখালী উপজেলার বাকি ইউপি |
বোয়ালখালী উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৩ থেকে ৭ নম্বর ওয়ার্ড |
বোয়ালখালী উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটির ৩ থেকে ৭ নম্বর ওয়ার্ড |
|
সব মিলিয়ে ৫২ আসনে অদলবদল এরমধ্যে একটি আসন বেড়েছে, একটি বিলুপ্ত হয়েছে |
২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি এ সীমানায় ভোট হয়েছিল |
দাবি আপত্তি শুনে ইসি |
সীমানা চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ, এ সীমানায় ভোট হবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে |
আগের খবর:
সীমানা পুনর্নির্ধারণ: ৪৬ সংসদীয় আসনে হেরফের
সংসদ নির্বাচন: একটি আসন বাড়ল গাজীপুরে, কমল বাগেরহাটে
আসন সীমানা: আপত্তি শুনানি শেষ, পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত তালিকা