হিথ্রোতে চালু হচ্ছে কিছু ফ্লাইট, শনিবার পূর্ণদ্যোমে কাজ চালুর আশা
যুক্তরাজ্যের জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড জানিয়েছে, হিথ্রোর কিছু অংশে বিদ্যুৎ ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর শুক্রবার সারাদিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে পরে বিমানবন্দরটি জানায়, দিনশেষে কিছু ফ্লাইট চালু করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে যেসব ফ্লাইট ইউরোপজুড়ে বিভিন্ন বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে সেগুলোকেই প্রথমে ফেরত আনা হবে বলে জানিয়েছে তারা। আর শনিবার থেকে পূর্ণদ্যোমে কাজ চালুর আশাও প্রকাশ করেছে হিথ্রো।
যুক্তরাজ্যের জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড জানিয়েছে, হিথ্রোর কিছু অংশে বিদ্যুৎ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে বিমানবন্দর পুরোপুরি চালু না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীদেরকে সেখানে যেতে মানা করা হয়েছে।
বিমান বন্দর সংলগ্ন একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় সাময়িকভাবে বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই কেন্দ্র থেকেই বিমানবন্দরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হত।
যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বড় এই বিমানবন্দরে প্রতিদিন গড়ে ১৩০০ ফ্লাইট ওঠানামা করে। গত বছর রেকর্ড ৮ কোটি ৩৯ লাখ যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করেছেন।
হিথ্রো বিমানবন্দরের এক মুখপাত্র শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, “আমরা আজ দিনশেষে কিছু ফ্লাইট নিরাপদে চালু করতে সক্ষম। আগামীকাল থেকে আমরা পুরোপুরি কাজ শুরুর আশা করছি এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই এ বিষয়ে আরও তথ্য জানানো হবে।”
বিবিসি জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় দূর পথের ৮ টি ফ্লাইট বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে যোগাযোগ করা হচ্ছে যাতে তারা সময়মত বিমানবন্দরে পৌঁছতে পারেন।
এই ৮ ফ্লাইট হচ্ছে: জোহানেসবার্গ এর দুটি, সিঙ্গাপুর, রিয়াদ, কেপটাউন এর দুটি এবং সিডনি ও বুয়েনস আইরেসগামী ফ্লাইট।
বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ব্যাকআপ জেনারেটরগুলো কাজ করছে। কিন্তু তা গোটা বিমানবন্দরে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য যথেষ্ট নয়।
বিষয়টি গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিমানের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আগুনের ঘটনা তদন্ত করছে সন্ত্রাস-বিরোধী পুলিশ।
তবে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, আপাতত এ ঘটনায় অপরাধী কর্মকান্ডের কোনও আলামত তারা পাননি।
