Published : 23 Feb 2026, 03:39 PM
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল ইমারজেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্টে (আইইইপিএ) বিভিন্ন দেশের পণ্যে যে শুল্ক বসিয়েছিলেন তা নেওয়া বন্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা বিভাগ (সিবিপি)।
সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্টের ওই শুল্ককে ‘এখতিয়ার বহির্ভূত’ আখ্যা দেওয়ার তিনদিন পর মঙ্গলবার মার্কিন পূর্বাঞ্চলীয় মান সময় রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে এ শুল্ক নেওয়া বন্ধ হবে, বলেছে তারা।
ওই সময় থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগে আইইইপিএ-র অধীনে যে শুল্ক দিয়েছিলেন সে সংশ্লিষ্ট সব শুল্ক কোড নিস্ক্রিয় হয়ে যাবে, শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা বিভাগ তাদের কার্গো সিস্টেমস মেসেজিং সার্ভিসে (সিএসএমএস) পণ্য আমদানি-রপ্তানির দায়িত্বে থাকা কোম্পানিগুলোকে এ বার্তাই দিয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ক্ষিপ্ত ট্রাম্প আরেক আইনে নতুন ১৫% বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ করে বসেছেন। মঙ্গলবার থেকেই নতুন এ শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা।
সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পরও কয়েকদিন ধরে কেন বিধি-বহির্ভূতভাবে শুল্ক নেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে সিবিপি কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। এতদিন ধরে যারা এই শুল্ক দিয়ে এসেছে তাদেরকে ওই অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়েও কিছু বলা হয়নি।
তবে সিএসএমএসে দেওয়া ওই বার্তায় বলা হয়েছে, আইইইপিএ-র অধীনে শুল্ক নেওয়া বন্ধ হলেও তা জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট ধারা ২৩২ ও অন্যায্য বাণিজ্য চর্চা নিয়ে ধারা ৩০১সহ ট্রাম্পের দেওয়া অন্যসব শুল্ক সংগ্রহে প্রভাব ফেলবে না।
“প্রয়োজন অনুযায়ী সিবিপি ব্যবসায়িক সম্প্রদায়কে সিএসএমএস বার্তার মাধ্যমে অতিরিক্ত নির্দেশনা প্রদান করবে,” বলেছে তারা।
শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের রাজস্ব আয়ের ভেতর থেকে ১৭ হাজার ৫০০ কোটির বেশি অর্থ ফেরত দেওয়া লাগতে পারে বলে ধারণা দিয়েছিল রয়টার্স।
তবে সর্বোচ্চ আদালত অর্থ ফেরতের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীদের ফের আদালতের দ্বারস্থ হতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনকে দেওয়া শুল্কের অর্থ ফেরত পেতে তাদের কয়েক বছরও লেগে যেতে পারে।