১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরানে যুদ্ধ বাধালেন ট্রাম্প, কিনারা পাবেন তো?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইচ্ছা করে যুদ্ধ বাধিয়েছে; কারণ ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিকে তারা সুযোগ হিসেবে নিয়েছে, মনে করেন কোনো কোনো বিশ্লেষক।

ইরানে যুদ্ধ বাধালেন ট্রাম্প, কিনারা পাবেন তো?
ছবি: দ্য আটলান্টিক।

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 01 Mar 2026, 08:08 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:03 PM

ইরানে হামলা চালানোর প্রায় এক ঘণ্টা পর মার্কিনিদের সামনে হাজির হন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। 

ট্রুথ সোশালের মাধ্যমে আট মিনিটের একটা ভাষণ দেন, যেখানে ইরানে হামলা চালানোর ‘আসল উদ্দেশ্য’ প্রথমবারের মতো খোলাসা করেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের শাসককে অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে; আর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিতে মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে ইরানিদের।

এই যুদ্ধে মার্কিনিদের রক্ত ঝরবে, সে কথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। 

শনিবার ইরানের স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে তেহরানসহ কয়েকটি শহরে হামলা চালায়  যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই যৌথ হামলা শুরুর তিন ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েলসহ আশপাশের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। 

গেল জুনে যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানে সর্বশেষ হামলা চালায়, তখন ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে তেহরানের পারমাণকি স্থাপনা ধ্বংসের কথা বলা হয়েছিল। 

কিন্তু এবারের হামলার মধ্য দিয়ে ৪৭ বছর পর মার্কিন প্রশাসন মুখ ফুটে বলে বসল, তারা আদতে ইরানের শাসক গোষ্ঠীকেই উৎখাত করতে চায়।

কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ইরানে এই যুদ্ধ বাঁধিয়েছেন ট্রাম্প। তার নিজের গণ্ডির অনেকেও এ ধরনের হামলায় সায় দেয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিকের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এমন একটা প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প যে যুদ্ধ শুরু করেছেন, তাতে সফল হলে পুরো কৃতিত্ব তার পকেটেই যাবে।

কিন্তু ব্যর্থ হলে কিংবা এই যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যাই ঘটুক না কেন, তার দায়ও এককভাবে ট্রাম্পের ঘাড়েই যাবে। 

ইরানে হামলা শুরুর পর মার্কিনিদের উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: ট্রুথ সোশাল/সিএনএন

ইরানে হামলা শুরুর পর মার্কিনিদের উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প

ট্রাম্প তার ভাষণে বলেন, “আজ রাতে আমি যা করছি, তা করার সাহস অন্য কোনো প্রেসিডেন্টের ছিল না।”

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই অভিযানকে বলছে ‘প্রি-এম্পটিভ‘, অর্থাৎ শত্রুপক্ষের হামলার আগেই পাল্টা হামলা চালানো।

ট্রাম্পের দাবি, ইরান এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে, যা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম। যদিও তার গোয়েন্দা বাহিনীই এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। 

ট্রাম্পের ভাষায়, ইরান ‘বড় হুমকি’ হয়ে উঠেছে। অথচ গত জুনে তিনি নিজেই দাবি করেছিলেন যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নস্যাৎ করে দিয়েছে। 

বিবিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের সম্পাদক জেরেমি বোয়েন মনে করেন, ইরান আদতে কোনো হুমকি ছিল না। 

তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘ইচ্ছা করে’ এই যুদ্ধ বাঁধিয়েছে। কারণ ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিকে তারা সুযোগ হিসেবে নিয়েছে।

“ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র হিসাব কষে দেখেছে, ইরানের শাসক গোষ্ঠী বর্তমানে অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে, বিশেষ করে দেশটি তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।”

বোয়েন বলেন, “এই যুদ্ধ চরম বিপজ্জনক মুহূর্ত তৈরি করেছে। এর পরিণতি কী হবে, তা অনিশ্চিত।”

নতুন করে বাধানো এই যুদ্ধ কোথায় গিয়ে থামবে, সে বিষয়ে ট্রাম্প অবশ্য তার ভাষণে কিছু বলেননি। বরং এর পরিবর্তে তিনি গত চার দশক ধরে ইরান কীভাবে হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেই কথাই ঘুরেফিরে বলার চেষ্টা করেছেন।

তিনি বলেন, মার্কিনিরা যেন কখনও ‘পারমাণবিক অস্ত্রধারী ইরানের’ হুমকির মুখে না পড়ে, সেই লক্ষ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় তেহরানের ক্ষতচিহ্ন। ছবি: রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় তেহরানের ক্ষতচিহ্ন

গেল ডিসেম্বরে ইরানে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রসঙ্গও টানেন ট্রাম্প, যেখানে শুরু থেকেই তার প্রশাসন সমর্থন জুগিয়ে আসছে। 

তবে ট্রাম্পের ভাষণে সবচেয়ে চমকপ্রদ ও অপ্রত্যাশিত ঘোষণাটি ছিল ইরান সরকারকে উৎখাতের আকাঙ্ক্ষা। 

ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইরানি বাহিনী যদি অস্ত্র সমর্পণ করে, তবে তাদের ক্ষমা করে দেওয়া হবে। নয়ত ‘নিশ্চিত মৃত্যুর’ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। 

কিন্তু যে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েলের পক্ষে কোনো স্থলবাহিনী নেই, সেই যুদ্ধে ইরানি সেনারা কার কাছে অস্ত্র সমর্পণ করবে, সে বিষয়ে ট্রাম্প কিছু বলেননি। কিংবা ইরানে শাসক গোষ্ঠীর পতন ঘটলে সরকারবিরোধীদের কোন অংশ নেতৃত্বে থাকবে, সেটাও ট্রাম্পের বক্তব্যে অস্পষ্ট।

ট্রাম্প যে যুদ্ধকে ‘মহান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, তার আশঙ্কা গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ছিল। এমনকি পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার মধ্যেও এই আবহ দেখা গেছে।

ইরানে হামলার আগে আলোচনার শেষ পর্বটি হয় গত বৃহস্পতিবার। জেনেভার ওই আলোচনার পর মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় থাকা ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘বাস্তবসম্মত অগ্রগতি’ এসেছে। 

দুদিন বাদে আগামী সোমবার ভিয়েনায় আরেক দফা আলোচনা হওয়ারও কথা ছিল। কিন্তু ট্রাম্প তার আগেই হামলা চালিয়ে বসলেন। 

তেহরানে শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন ইরানের মানুষ। ছবি: রয়টার্স। 

তেহরানে শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন ইরানের মানুষ

বিশ্লেষকরা বলছেন, দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্পের মধ্যে সামরিক শক্তি দেখানোর স্বাদ জেগেছে। 

গত এক বছরে তিনি নানা ছুতোয় ইরান, ভেনিজুয়েলা, সিরিয়া, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে হামলা চালিয়েছেন।

ট্রাম্প সম্ভবত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, স্থলবাহিনীর হাজার হাজার সেনা না পাঠানো কিংবা বছরের পর বছর ধরে যুদ্ধ না চালানোই বোধহয় তার জন্য লাভজনক। এছাড়া এ ধরনের ‘সংক্ষিপ্ত যুদ্ধের‘ মাধ্যমে চীন ও রাশিয়ার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার বার্তাও পৌঁছে দেওয়াটাও সহজ ভাবছেন তিনি।

গত ৩ জানুয়ারির বিশেষ অভিযান চালিয়ে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসে মার্কিন স্পেশাল ফোর্স। 

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ ধরনের অভিযানের মাধ্যমে পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে ট্রাম্প হয়ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন। কিন্তু এ ধরনের অভিযান দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমাধান এনে দিতে পারবে না।

জন্স হপকিন্স স্কুল অব অ্যাডভান্সড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও মধ্যপ্রাচ্য গবেষণার অধ্যাপক ভালি নাসর বলেন, "ইরান এমন এক লগ্নে দাঁড়িয়েছে, যা দেশটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে যাচ্ছে। 

“কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র মানসিকভাবে ২৪ ঘণ্টার ‘সংবাদ চক্রের’ চেয়ে বেশি স্থায়ী কোনো কিছুর জন্য প্রস্তুত নয়।"

রাজধানী তেহরানসহ শনিবার ইরানের বেশ কয়েকটি শহরে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। 

রাজধানী তেহরানসহ শনিবার ইরানের বেশ কয়েকটি শহরে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হামলার জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের চেয়েও বড় ও বিস্তৃত কিছু করতে পারে। 

চলতি বছরের শুরুর দিকে হরমুজ প্রণালীতে একটি মহড়া চালায় ইরানের নৌবাহিনী, যার উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বের সামনে নিজেদের সক্ষমতার জানান দেওয়া।

ইরান ড্রোনের মাধ্যমেও হামলা চালাতে পারে। চলতি বছরের শুরুতে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন রণতরীর আশপাশ দিয়ে ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। 

এসব ড্রোনের মাধ্যমে ইরান আশপাশের মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোতে আঘাত হানার চেষ্টা করতে পারে। এছাড়া মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলার জন্য নিজেদের অনুগত আঞ্চলিক বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে তারা লেলিয়েও দিতে পারে।

তবে ইরান আগের চেয়ে সামরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। দেশটির অর্থনীতিও অনেকটা স্থবির।  

গত বছরের মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে এবারের যুদ্ধে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা যুদ্ধবিমান ঠেকানো তাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে। 

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে আটলান্টিক লিখেছে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলের খুব কম সদস্যই একটি ‘পুরোদস্তুর যুদ্ধের’ পক্ষে। এমনকি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও বুঝেশুনে এ ধরনের যুদ্ধে জড়ানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। 

অন্যদিকে মার্কিন সেনাদের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এবং যুদ্ধের রসদের স্বল্পতা সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছিলেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন।

কিন্তু পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে ট্রাম্প অন্যান্য প্রেসিডেন্টের তুলনায় ব্যক্তিগত সম্পর্ককে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এছাড়া লোকে দুর্বল ভাবতে পারে, এমন কোনো কাজ তিনি করতে চান না।

 এবারের যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেবে বলে মনে করেন তেহরানভিত্তিক সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক আবাস আসলানি।

আল জাজিরাকে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এ হামলার মধ্য দিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার অবিশ্বাস আরও গভীর হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

“এই যুদ্ধ শুধু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বা ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রমের বিষয় নয়; এটি শক্তির ভারসাম্য ও মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যতের নির্ধারকও।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তার ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা রিপাবলিকানরা মনে করেন, ট্রাম্পের বিজয় প্রমাণ করে— ইরানের সঙ্গে এমন একটি কূটনৈতিক চুক্তি হলে হয়ত যুদ্ধটা এড়ানো যেত। কিন্তু ট্রাম্পের শনিবার সকালের সিদ্ধান্তে সেই সম্ভাবনা পুরোপুরি নস্যাৎ হয়ে যায়। 

আট মিনিটের ভাষণের কোথাও ট্রাম্প আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার কোনো ইঙ্গিত দেননি, বরং বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে ‘বিপজ্জনক ও নিষ্ঠুর’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার এবারের নির্বাচনি প্রচারে সমর্থকদের আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, ক্ষমতায় গেলে আর কোনো ‘দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে’ তিনি জড়াবেন না। মধ্যপ্রাচ্যের চোরাবালিতে যুক্তরাষ্ট্র আটকে পড়বে না বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি।  

কিন্তু শনিবার সকালে বিমান হামলার মধ্যদিয়ে আবারো মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সম্মুখভাগে চলে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে তারা একটি দেশের সরকারকে উৎখাত করতে চাইছে। 

এই যুদ্ধ কত দিন স্থায়ী হবে এবং ইরানকে কোথায় নিয়ে যাবে, তা কেবল ট্রাম্প বা ইসরায়েলের ওপর নির্ভর করছে না। 

ট্রাম্প যে যুদ্ধকে তার নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখছেন, সেই সিদ্ধান্ত এখন ইরানের শাসক গোষ্ঠী এবং সে দেশের জনগণের কব্জাতেও চলে গেছে।

আরও পড়ুন

ইরানের পাল্টা হামলার মুখে পড়েছে মার্কিন ঘাঁটি থাকা একাধিক আরব রাষ্ট্র

রিয়াদে, পূর্বাঞ্চলে হামলা চালিয়েছে ইরান, জানাল সৌদি আরব

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় বিশ্বজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

ইরানের নেতাদের নিশানা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল

সকাল থেকে ইসরায়েলের দিকে ৩৫ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান

ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া ১০ দিন, 'আলোচনায় অগ্রগতি', এরপর হামলা

সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিন: ইরানিদের প্রতি আহ্বান ট্রাম্পের

ইরানে হামলার 'চিত্রনাট্যে' ইরাক যুদ্ধের বাহানাই ফেরাচ্ছেন ট্রাম্প