Published : 07 Oct 2025, 12:43 PM
নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতায় ১২তম আসরে বাংলাদেশ পর্বের বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করেছে বেসিস।
সোমবার শেষ হয়েছে নাসা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০২৫।
৩ অক্টোবর শুক্রবার সকাল থেকে প্রথমবারের মতো ভার্চুয়ালি শুরু হওয়া এ হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা চলেছে একটানা ৩৬ ঘণ্টা।
প্রতিযোগিতায় ঢাকা অঞ্চলে চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্স আপ যথাক্রমে ক্রোনজ, অ্যাস্ট্রো-৪ ও স্পেস কিটি। বরিশাল অঞ্চলে চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্স আপ যথাক্রমে পোলারিস, সিরিয়াস ও লেনিয়াকি। চট্টগ্রাম অঞ্চলে চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্স আপ যথাক্রমে এক্সোভিশনারিস, মঙ্গলচারী ও মেটিওর গার্ডিয়েন্স।
কুমিল্লা অঞ্চলে চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্স আপ যথাক্রমে নো ম্যাডস, কোয়েন্টিসেন্স মাইনাস ইনফিনিটি ও ইকিলিপজড। খুলনা অঞ্চলে চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্স আপ যথাক্রমে ওয়াসিস, অ্যাটলাস ও অব্লিভাইট। ময়মনসিংহে চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্স আপ যথাক্রমে নিউ বাইস, সফট স্যাসি ও অ্যাস্ট্রা ফাইন্ড।
রংপুর অঞ্চলে চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্স আপ যথাক্রমে ফাঁকিবাজ, স্পেস স্কোয়াড, এস্পেক্ট্রা। রাজশাহী অঞ্চলে চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্স আপ যথাক্রমে মাইনাস ওয়ান, অরা ও টেরা ফার্ম। সিলেট অঞ্চলে চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্স আপ যথাক্রমে কোড ক্র্যাকার্স, এআইবিএ স্পেস ওয়েভ ও উল্কা।

আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্বের ১৮৫টি দেশের প্রযুক্তিবিদ, বিজ্ঞানী, নকশাবিদ, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, উদ্যোক্তাদের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রের মেধাবী তরুণদের একত্রিত করে বিভিন্ন বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে উদ্ভাবনী সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা)।
এরই অংশ হিসেবে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) এর পৃষ্ঠপোষকতায় ও বেসিস স্টুডেন্টস ফোরামের সহযোগিতায় বাংলাদেশের ৯টি শহরে এ উদ্যেগের আয়োজন করেছে বেসিস।
৩ ও ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী অনলাইন হ্যাকাথনে তিন হাজারেরও বেশি প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করছেন এবং এ বছর নয়টি অঞ্চল থেকে প্রায় পাঁচশ’র মতো প্রকল্প জমা পড়েছে।
গত ১১ বছরে বিশ্বজুড়ে এই প্রতিযোগিতায় টানা তিনবারসহ সর্বমোট চারবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ।
২০১৮ সালে ‘লুনার ভিআর প্রজেক্ট’ বেস্ট ইউজ অফ ডেটা ক্যাটাগরিতে চাঁদে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা দেবে এমন ভার্চুয়াল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ‘অলীক’।
২০২১ সালে ‘বেস্ট মিশন কনসেপ্ট’ ক্যাটেগরিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ও বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বাউয়েট)-এর মিলিত দল ‘মহাকাশ’।
এবার হ্যাকাথনের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে অংশগ্রহণ করছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)।