২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
নাসার ইতিহাসে অন্য কোনো গ্রহে ম্যারাথন সমপরিমাণ দূরত্ব পাড়ি দেওয়া এটাই দ্বিতীয় অভিযাত্রী|
এক হাজার ৩০০ কোটি বছরের পুরানো সুপারনোভা আবিষ্কারের নেপথ্য টেলিস্কোপটিকে টেনে নিরাপদ কক্ষপথে ফিরিয়ে নেওয়াই এ উদ্ধার অভিযানের মূল লক্ষ্য।
নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে মঙ্গলের বুকে প্রথম রোভার অবতরণের পর থেকে নাসার বিভিন্ন রোভার একের পর এক অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে।
নতুন মহাকাশযানটি মঙ্গলে চারটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র বহন করে নিয়ে যাবে, যা মঙ্গলের বাতাস, তাপমাত্রা, ধূলিকণা ও মেঘের সমন্বিত চিত্র প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীদের সামনে তুলে ধরবে।
মহাকাশ স্যুটের সবচেয়ে প্রধান কাজ বায়ুচাপ বা প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করা। এ ব্যবস্থাটি না থাকলে মহাকাশে নভোচারীদের অবস্থা কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা কল্পনাও করা যায় না!
মাসের শুরুতে প্রথম সফল ফ্লাইটের পর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন লোকালয়ের ওপর দিয়ে পরিকল্পিত পরীক্ষামূলক যাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় গতি ও উচ্চতা স্পর্শ করেছে নাসার জেটটি।
আট বছর ধরে সূর্যকে নিয়ে গবেষণা করে আসছে পার্কার সোলার প্রোব এবং ধীরে ধীরে তা সূর্যের পৃষ্ঠের আরও কাছাকাছি এগিয়ে যাচ্ছে।
“আপনি যদি কেবল আমার ভুলগুলোর তালিকা করেন তবে আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ বলেই মনে করবেন। তবে সেগুলোকে আমার করা সঠিক কাজগুলোর পাশাপাশি রেখে তুলনা করলে পুরো বিষয়টির যৌক্তিক অর্থ খুঁজে পাবেন।”