০৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
উড্ডয়নের সময় স্পেস শাটলের বিদ্যুচ্চালিত বিভিন্ন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা নজরে রাখতে প্লেনে আরও কিছু বিশেষ যন্ত্রপাতি যোগ করেছিলেন প্রকৌশলীরা।
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ‘বড় ও লুকিয়ে থাকা ম্যাগমা বা গলিত লাভা ব্যবস্থা’ রয়েছে, যা ভিনগ্রহের প্রাণের সন্ধানে এক বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ ২০২৭ সালের গ্রীষ্মকালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় এর পরিধি আরও বাড়ানো হতে পারে।
মহাবিশ্বের সবচেয়ে নিখুঁত ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরির লক্ষ্যে ২০২৩ সালে ১০০ কোটি ইউরোর ইউক্লিড টেলিস্কোপটি মহাকাশে উৎক্ষেপিত হয়েছিল।
নাসার ইতিহাসে অন্য কোনো গ্রহে ম্যারাথন সমপরিমাণ দূরত্ব পাড়ি দেওয়া এটাই দ্বিতীয় অভিযাত্রী|
এক হাজার ৩০০ কোটি বছরের পুরানো সুপারনোভা আবিষ্কারের নেপথ্য টেলিস্কোপটিকে টেনে নিরাপদ কক্ষপথে ফিরিয়ে নেওয়াই এ উদ্ধার অভিযানের মূল লক্ষ্য।
নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে মঙ্গলের বুকে প্রথম রোভার অবতরণের পর থেকে নাসার বিভিন্ন রোভার একের পর এক অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে।
নতুন মহাকাশযানটি মঙ্গলে চারটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র বহন করে নিয়ে যাবে, যা মঙ্গলের বাতাস, তাপমাত্রা, ধূলিকণা ও মেঘের সমন্বিত চিত্র প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীদের সামনে তুলে ধরবে।