Published : 28 Aug 2025, 09:49 PM
ডেটাকে ভবিষ্যতের জ্বালানি হিসেবে বর্ণনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি বা আইআইটিডিইউ পরিচালক অধ্যাপক ড. বিএম মইনুল হোসেন।
তিনি বলেছেন, ডেটা যদি অ্যামাজন, ফেইসবুক বা গুগলের হাতে থাকে তবে এর নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে থাকছে না। নিজস্ব ক্লাউড প্রতিষ্ঠা ছাড়া ডেটার সার্বভৌমত্ব সম্ভব নয়।
“দেশের বিভিন্ন কোম্পানিকে অগ্রাধিকার দিয়ে সেবা নিতে হবে, আর মিডিয়াকেও এ বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে।”
বুধবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘ওপেন-স্ট্যাক সভেরিন ক্লাউড’ বিষয়ক কর্মশালা এসব কথা বলেন অধ্যাপক মইনুল। কর্মশালার আয়োজক ছিল ‘বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ)।
প্লেক্সাস ক্লাউড লিমিটেডের সগযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মশালায় কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোবারক হোসেন বলেন, “গুগল কোনও প্রযুক্তি কোম্পানি নয়, বরং এটি একটি মার্কেটিং কোম্পানি”।
তিনি বলেন, “প্রযুক্তি জায়ান্টরা আমাদের ডেটা ব্যবহার করে মুনাফা করছে, আমরা নিজেরাই তাদের হাতে আমাদের সম্পদ তুলে দিচ্ছি। জিমেইলের একটি বিন্দু সরালেই আমাদের স্মার্টফোন অচল হয়ে যায়। এটি ডিজিটাল বন্দিত্ব ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই নিজস্ব ক্লাউড ও ডেটা সেন্টার গড়ে তুলে আমাদের ডিজিটাল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।”
কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্যে বিআইজেএফ-এর সহ-সভাপতি ভুঁইয়া ইনাম লেনিন বলেন, “এরইমধ্যে ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। চ্যাটজিপিটি, ডিপসিক ও ক্লাউড সম্পর্কে জানতে ও শিখতে হবে। নইলে সমাজে বিভ্রান্তি তৈরি হবে।”
বিআইজেএফ সভাপতি এম. এ. হালিম সভাপতির বক্তব্যে বলেছেন, এ ধরনের কর্মশালা প্রযুক্তি বোঝার সুযোগ তৈরি করে দেয়। আমাদের রিপোর্ট, ফিচার ও বিশ্লেষণ সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করবে এটি।
তিনি আরও বলেছেন, বিআইজেএফ আগামীতে এআইসহ সময়োপযোগী প্রযুক্তি নিয়ে আরও কর্মশালা ও নলেজ শেয়ারিং সেশন আয়োজন করবে।
কর্মশালায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিআইজেএফের সাবেক সভাপতি নাজনীন নাহার। কর্মশালায় ৪০ জন তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন হাসান।