১৬ এপ্রিল ২০২৫, ৩ বৈশাখ ১৪৩২
গুগল বলেছে, কিছু ব্যবহারকারীর ডেটা আসলেই মুছে ফেলা হয়েছে। আর কিছু ক্ষেত্রে এসব তথ্য ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়।
“এনক্রিপশন বিতর্কের অন্তহীন কাহিনীতে সত্যিকার অর্থেই এক বিশাল লড়াই শুরু করেছে যুক্তরাজ্য সরকার।”
হ্যাকিংয়ের ফলে ১০ টেরাবাইটেরও বেশি তথ্য চুরি হয়েছে। চুরি হওয়া তথ্যের নমুনা এক সুপরিচিত হ্যাকিং ফোরামেও শেয়ার করেছে রাশিয়ানভাষী হ্যাকাররা।
ডেটা লঙ্ঘনের ঘটনায় মোড়ানো ছিল বিদায়ী বছরটি অর্থাৎ ২০২৪ সাল। বড় আকারের ডেটা লঙ্ঘনের জন্য ইতিহাস হয়ে থাকবে এটি।
সাইবার গুপ্তচরমূলক কাজ বিভিন্ন অপরাধী দলের কাছে সম্ভবত ‘আউটসোর্স’ করেছে রাশিয়া। বিশেষ করে, ইউক্রেইনের বেলায় এমন করতে পারে দেশটি।
তথ্য সুরক্ষা আইনের ১১০ ধারার অধীনে গুগলের বিরুদ্ধে আইনানুগ তদন্ত শুরু করেছে আয়ারল্যান্ডের তথ্য সুরক্ষা কমিশন।
ফোন, স্মার্ট স্পিকার, অন্যান্য ইন্টারনেট বা মাইক্রোফোন রয়েছে এমন ডিভাইস ব্যবহারকারীদের ফোনে আড়িপাতা নিয়ে বছরের পর বছর ধরে উদ্বেগের পর এ খবরটি এল।
বিভিন্ন মেডিকেল কোম্পানির কাছে বিক্রি বা উদ্দেশ্যমূলক বিজ্ঞাপনের জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে ব্যক্তিগত তথ্য।