Published : 21 Oct 2025, 03:37 PM
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটিতে ভুয়া, বট ও অন্যান্য প্রতারণামূলক কার্যকলাপ কমিয়ে আনতে নতুন পরীক্ষা চালাচ্ছে এক্স, যেখানে ব্যবহারকারীদের প্রোফাইল সম্পর্কে আরও তথ্য দেখাবে প্লাটফর্মটি।
দীর্ঘদিন ধরেই ভুয়া অ্যাকাউন্ট, বট ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ইলন মাস্কের মালিকানাধীন এক্স। প্লাটফর্মটিতে পেইড ভেরিফিকেশন চালুর পর থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। কারণ এতে যে কোনো ব্যক্তি অর্থ দিয়ে সাবস্ক্রিপশন নিলেই তার অ্যাকাউন্টের ভিউ বা রিচ বেড়ে যায় বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট।
এখন কোম্পানিটি ছোট পরিসরে পরীক্ষা চালাচ্ছে, যেখানে ব্যবহারকারীদের সন্দেহজনক বা ভুয়া অ্যাকাউন্ট চিনতে সাহায্য করবে এক্স।
‘অ্যাবাউট দিজ অ্যাকাউন্ট’ নামের নতুন এক ফিচার নিয়ে পরীক্ষা করছে এক্স। ব্যবহারকারীদের যে কোনো প্রোফাইল সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য দেবে ফিচারটি। যার মধ্যে রয়েছে, অ্যাকাউন্টটি কবে এক্স-এ যোগ দিয়েছে, অ্যাকাউন্টধারী কোন এলাকায় অবস্থান করছেন, তার ইউজারনেইম কতবার পরিবর্তিত হয়েছে এবং অ্যাকাউন্টটি এক্স-এর সঙ্গে কীভাবে জড়িত।
ফিচারটি অনেকটা ফেইসবুকের ‘পেইজ ট্রান্সপারেন্সি’ অংশের মতো, যেখানে কোনো পেইজ কবে তৈরি হয়েছে তা এবং এ পেইজের পরিচালনাকারী কোথায় অবস্থান করছে সেটিও দেখা যায়।
এ পরিবর্তন সম্পর্কে এক এক্স পোস্টে প্লাটফর্মটির প্রোডাক্ট প্রধান নিকিতা বিয়ার বলেছেন, “এক্সে আপনি যখন কোনো কনটেন্ট পড়বেন তখন তা সত্যিকারের কি না তা যাচাইয়ের সুযোগ থাকা উচিত আপনার। বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আপনি সঠিক খবর পেয়ে বিশ্বের বড় বিভিন্ন ঘটনা বুঝতে পারেন।”
When you read content on X, you should be able to verify its authenticity. This is critical to getting a pulse on important issues happening in the world.
As part of that, we're experimenting with displaying new information on profiles, including which country an account is… pic.twitter.com/OYgT1OiJdA
— Nikita Bier (@nikitabier) October 14, 2025
ফিচারটি পুরোপুরি চালু হলে সাধারণ প্রতারণা ও ভুয়া আচরণ সহজেই বুঝতে পারবেন অনেক এক্স ব্যবহারকারী। কারণ, প্রতারকরা অনেক সময় হ্যাকিং অ্যাকাউন্টের হ্যান্ডেল বা ইউজারনেইম পরিবর্তন করে অ্যাকাউন্টটির আগের ফলোয়ারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।
এর পাশাপাশি কেউ যদি নিজের পরিচয় নিয়ে মিথ্যা বলে তাহলে অ্যাকাউন্টের অবস্থান বা লোকেশন জানা থাকলে ব্যবহারকারীরা সহজেই তা শনাক্ত করতে পারবেন। এভাবে, ফিচার ব্যবহারকারীদের নিরাপদ ও সতর্ক থাকতে সাহায্য করতে পারে।