০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মাস্কের গ্রকের এমন বিতর্কিত কাণ্ড অবশ্য এবারই প্রথম নয়। গেল বছর এ চ্যাটবটটি আপডেটের পর নিজেকে ‘মেকাহিটলার’ নামে ডাকতে শুরু করেছিল।
স্পেসএক্স, ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিক এ তিন কোম্পানির সম্মিলিত মূলধনের চাহিদা এতই বড় হবে যে, তা পুঁজিবাজারে বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরি করতে পারে।
‘গোল্ডেন ডোম’ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যার পেছনে আগামী ২০ বছরে দেশটির আনুমানিক ১.২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে।
ব্লু অরিজিনের এ বিস্ফোরণের ভিডিও দেখে মাস্ক নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “বিষয়টি দুঃখজনক। রকেট তৈরি করা আসলেই কঠিন কাজ।”
উৎক্ষেপণের পর রকেটের দ্বিতীয় অংশটি সফলভাবে ভারত মহাসাগরে অবতরণ করলেও মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ পুরো প্রক্রিয়ায় বড় ত্রুটি খুঁজে পেয়েছে।
চন্দ্র ঘাঁটির প্রথম দুটি মিশনকে সহায়তা করতে কোম্পানিটিকে ২৩ কোটি ৪ লাখ ডলার দিয়েছে নাসা। অভিযানের সিংহভাগ খরচ ব্লু অরিজিনই বহন করবে।
স্পেসএক্সের প্রকৌশল সংস্কৃতিতে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা বেশি। সম্পূর্ণ রকেটটি তৈরিতে এ পর্যন্ত ১৫০০ কোটি ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে কোম্পানিটি।
এ নথিতে কোম্পানির পরিচালনা খরচ ও আয়ের নতুন হিসাবের পাশাপাশি, মহাবিশ্ব নিয়ে মাস্কের স্বভাবসুলভ কিছু বড় ঘোষণা এবং তার প্রযুক্তি সাম্রাজ্যের ভেতরের অদ্ভুত কিছু দিকও ফুটে উঠেছে।