Published : 09 Jul 2026, 04:54 PM
শেয়ারের দাম ও হাতবদলের পরিমাণ ‘অস্বাভাবিক’ বেড়ে যাওয়ায় স্থগিত করা হয়েছে ‘উসমানিয়া গ্লাস হাউস’ ও ‘মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের’ লেনদেন।
বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরুর পরেই এ সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে ডিএসই বলেছে, ‘‘অস্বাভাবিক শেয়ার দর বৃদ্ধি ও বড় অঙ্কের লেনদেন হওয়ায় দিনের অবশিষ্ট সময়ের জন্য লেনেদেন স্থগিত থাকবে।’’
শুধু বৃহস্পতিবারের জন্য লেনদেন স্থগিত করে দেয় ডিএসই।
ডিএসই যখন দুটি কোম্পানির লেনদেন স্থগিত করে, তখন ঢাকার পল্টনে পুঁজিবাজারভিত্তিক সংবাদিকদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম(সিএমজেএফ) ‘সিএমজেএফ টক’ অনুষ্ঠানে কথা বলছিলেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির মাসুদ খান।
শেয়ার দর অস্বাভাবিক হলে বা কোনো শেয়ার লেনদেন হঠাৎ বেড়ে গেলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা কীভাবে কাজ করত সেই প্রক্রিয়া তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘এতদিন তারা করে আসছেন যে, বিএসইসি প্রথমে স্টক এক্সচেঞ্জকে জানায়। তারপর তারা ব্যবস্থা নেয়। সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুই মাস সময় লাগে।”
মাসুদ খান বলেন, ‘‘এই সময়ে রোগী মারা যায়; দেরি হচ্ছে। দেরি হওয়াটা ন্যায়বিচার নয়। এখান থেকে আমরা বের হতে চাই।
‘‘অস্বাভাবিক লেনদেন হলে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করতে হবে; সেই নির্দেশনা দিয়েছি।”
লেনদেন স্থগিত হওয়া উসমানিয়া গ্লাস হাউসের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করা হয় ২০২৩ সালের অগাস্টে; তাদের দ্বিতীয় চুল্লি বন্ধ হয়ে গেলে। কিন্তু বন্ধ থাকার পরেও দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত কাঁচ প্রস্তুতকারি কোম্পানিটির শেয়ার দড় বৃহস্পতিবার বাড়তে শুরু করে।
চট্টগ্রামের কালুরঘাটে অবস্থিত উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি সাদা রঙের গ্লাস শিট উৎপাদন শুরু করে ১৯৫৯ সালে।
১৯৭২ সালে জাতীয়করণ জাতীয়করণ করা হয় বেসরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিটিকে। ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত এটি দেশে একমাত্র গ্লাস শিট উৎপাদন কারখানা ছিল। এরপর কাঁচ উৎপাদন শুরু করে।
সবশেষ শেয়ারটি লেনদেন হয় ৭০ টাকা ২০ পয়সা। আগের দিন লেনদেন হয় ৬৩ টাকা ৯০ পয়সায়।
অন্যদিকে ২০০৪ সাল থেকে বন্ধ থাকা মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার দর কয়েক মাস ধরে বাড়ছে। সবশেষ শেয়ারটি ৮৯ টাকা ৬০ পয়সায় হাতবদল হয়।