Published : 13 Jun 2026, 06:09 PM
স্পেনের বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় খুব ভালোভাবেই ছিলেন বার্সেলোনার জার্সিতে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ফের্মিন লোপেস। ছিলেন বলতে হচ্ছে, কারণ চোট যে এলোমেলো করে দিয়েছে সবকিছু। লম্বা সময়ের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে যাওয়া এই মিডফিল্ডারকে বিশ্বকাপে না পাওয়াই সবচেয়ে বেশি পোড়াচ্ছে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তেকে।
২০২৪ সালে স্পেনের জার্সিতে সিনিয়র ফুটবলে অভিষেক হয় লোপেসের। ওই বছর ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনি। এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফুটবলে সাতটি ম্যাচ খেলেছেন। গত এপ্রিলে সার্বিয়া ও মিশরের বিপক্ষে স্পেনের দুটি ম্যাচেও খেলেন তিনি।
গত মৌসুমে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে ৩০ ম্যাচ খেলে ৬টি গোল ও ৯টি অ্যাসিস্ট করেন লোপেস। মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৮ ম্যাচে তার গোল ১৩টি, অ্যাসিস্ট ১৭টি।
ছন্দে থাকা ২৩ বছর বয়সী এই ফুটবলারের বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়া একরকম নিশ্চিতই ছিল। কিন্তু গত মাসে তার বাঁ পায়ের পঞ্চম মেটাটারসালে চিড় ধরা পড়ায় শেষ হয়ে গেছে তার বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন। বড় ধাক্কা খেয়েছে স্পেনও।
অস্ত্রোপচার করিয়ে এখন সেরে ওঠার জন্য পুনর্বাসনে লড়ছেন লোপেস। বিশ্বকাপে তার অনুপস্থিতি স্পেনের জন্য কত বড় ক্ষতি তা এএস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেন দে লা ফুয়েন্তে।
“চোটের কারণে হওয়া অনুপস্থিতিগুলো সবচেয়ে কষ্টদায়ক। সেক্ষেত্রে, সবশেষ ফের্মিনের চোটে পড়ার ঘটনাটি। সে দুর্দান্ত ফর্মে ছিল, আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ছিল এবং নিজের সামর্থ্যে পূর্ণ আস্থা ছিল, এই বিশ্বকাপটা তার হতে পারত। আর সে এখন চোটের কারণে বাইরে… কোনো চোটই তুচ্ছ নয়, তবে সবগুলোই বেদনাদায়ক। এই ধরনের অনুপস্থিতি সবচেয় বেশি আঘাত দেয়।”
লোপেসকে ছাড়া আগামী রোববার থেকে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা। আটলান্টায় সেদিন নবাগত কেপ ভার্দের মুখোমুখি হবে তারা। ‘এইচ’ গ্রুপে স্প্যানিশদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ সৌদি আরব ও উরুগুয়ে।