Published : 13 Jun 2026, 01:51 PM
দাপুটে জয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করা যুক্তরাষ্ট্রের পারফরম্যান্স নিয়ে হচ্ছে আলোচনা, চলছে বিশ্লেষণ। দলটির কোচ মাওরিসিও পচেত্তিনো বলেছেন, কোনো ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে নয়, সবার মিলিত চেষ্টায় এই সাফল্য পেয়েছেন তারা।
ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় শনিবার সকালে প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একপেশে লড়াইয়ে লাতিন আমেরিকার দলটিকে ৪-১ গোলে হারায় তারা।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথমবার চার গোল করতে পেরেছে যুক্তরাষ্ট্র। যার দুটি করেছেন ফোলারান বালোগান। ১৯৩০ সালের বিশ্বকাপের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্ব মঞ্চের এক ম্যাচে একাধিক গোলের কীর্তি গড়লেন তিনি।
দলটির জার্সিতে একটি গোল করেন জিওভানি রেইনা, অন্যটি হয় আত্মঘাতী। গোল না পেলেও এদিন দুর্দান্ত খেলেন তাদের তারকা মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক। পায়ের অস্বস্তিতে তিনি অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধে আর মাঠে নামেননি।
বালুগান, পুলিসিক, ওয়েস্টন ম্যাককনিরা ব্যক্তিগতভাবে ছিলেন উজ্জ্বল। তবে দলের বাকিদের অবদানকে ছোট করে দেখার কোনো সুযোগ দেখেন না পচেত্তিনো। শুধু তাই নয়, এই জয়ে সমর্থকদের বড় অবদানের কথাও বলেন তিনি।
“এটা ছিল সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। সমর্থকরা অসাধারণ ছিল, সত্যিই অসাধারণ। তারা যদি এভাবে পাশে থাকে, তাহলে আমরা দারুণ কিছু করতে পারি।”
দুর্দান্ত জয়ে বিশ্বকাপ শুরুর উচ্ছ্বাস থাকলেও, মাটিতেই পা রাখছেন পচেত্তিনো। আসরের কেবল যে শুরু, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।
ক্লাব ফুটবলের ব্যস্ততার কারণে, সাধারণত আন্তর্জাতিক ম্যাচের আগে অনুশীলনের জন্য অল্প কিছু দিনের সময় পায় দলগুলো। আর ওই কয়েকদিন সময়ে শুধু দল নির্বাচনই করা সম্ভব হয় কোচদের। এবার বিশ্বকাপের আগে কয়েক সপ্তাহ একসঙ্গে অনুশীলন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পচেত্তিনো বলেছেন, এতে কোচিং স্টাফরা খেলোয়াড়দের নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। আর এটাই তার দলের সবার মধ্যে দৃঢ় বন্ধন তৈরি করতে ও বোঝাপড়া বাড়াতে কাজ করেছে।
‘ডি’ গ্রুপে যুক্তরাষ্ট্রের অন্য দুই প্রতিপক্ষ তুরস্ক ও অস্ট্রেলিয়া। আগামী শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে আসরের সহ-আয়োজকরা।