১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

অ‍্যাস্টন ভিলার সাফল্যে গর্বিত এমেরির নজর আরও উঁচুতে

কোচের মতোই গর্বিত অ‍্যাস্টন ভিলা অধিনায়ক জন ম‍্যাকগিন, নিজেদের নাম ইতিহাসের পাতায় লিখে রাখতে চান তিনি।

অ‍্যাস্টন ভিলার সাফল্যে গর্বিত এমেরির নজর আরও উঁচুতে
ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Mar 2025, 05:01 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:01 PM

চার দশকের বেশি সময় পর ইউরোপ সেরার মঞ্চে এসে চমকপ্রদ ফুটবল খেলছে অ‍্যাস্টন ভিলা। ক্লাব ব্রুজকে দুই লেগেই হারিয়ে জায়গা করে নিয়েছে চ‍্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালে। দলের এই সাফল‍্যে গর্বিত কোচ উনাই এমেরি। তবে রোমাঞ্চ নিয়ে আরও বড় প্রাপ্তির দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি।

ঘরের মাঠে বুধবার রাতে ৩-০ গোলে জিতেছে ভিলা। দুই লেগ মিলিয়ে ৬-১ গোলের অগ্রগামিতায় জায়গা করে নিয়েছে শেষ আটে। ম‍্যাচ শেষের প্রতিক্রিয়ায় স্প‍্যানিশ কোচ এমেরি বলেছেন, দলের এই অর্জনে তিনি গর্বিত।

“আমাদের ক্লাবের জন‍্য, চ‍্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালে থাকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। পিএসজির বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাওয়ায় আমাদের গর্বিত হওয়া উচিত।”    

“আমরা এই পর্যায়ে আছি, আমাদের গর্বিত হওয়া উচিত, তবে আমরা আরও বেশি চাই। আমরা বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই। এখন আমাদের কাছে অগ্রাধিকার, যে পর্যায়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি এর যতটা সম্ভব কাছাকাছি যাওয়ার।”

কোচিং ক্যারিয়ারে চারবার ইউরোপা লিগ জেতার অভিজ্ঞতা থাকা এমেরি পরবর্তী চ‍্যালেঞ্জ নিয়ে খুব সতর্ক। লিভারপুলকে হারিয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠা পিএসজি তার কাছে ভয়ঙ্কর এক প্রতিপক্ষ।

“অবশ‍্যই কোয়ার্টার-ফাইনালে খেলা হবে অসাধারণ। আমরা খুবই রোমাঞ্চিত, ভীষণ অনুপ্রাণিত।”  

“পিএসজির বিপক্ষে খেলা খুব কঠিন। তারা লিভারপুলের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ‍্য দেখিয়েছে, যারা প্রিমিয়ার লিগের সেরা দল এবং গতকাল পর্যন্ত ইরোপের সেরা দল ছিল।”

২০১৬-১৮ মৌসুমে পিএসজির কোচ ছিলেন এমেরি। ফরাসি চ‍্যাম্পিয়নদের সম্পর্কে তার জানাশোনা বেশ ভালো। তার সঙ্গে একমত ভিলা অধিনায়ক জন ম‍্যাকগিন।

“দুই লেগের লড়াইয়ে পিএসজি ভীতিকর, লড়াইটা ভীষণ কঠিন হবে। তবে অ‍্যাস্টন ভিলা চ‍্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালে আছে। আমরা এই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি কিছু চাইতে পারতাম না। আমরা আরও অনেক বেশি কিছুর জন‍্য ক্ষুধার্থ থাকব, কী হবে কেউ জানে না।” 

ব্রুজের বিপক্ষে আরও বড় ব‍্যবধানে জিততে পারত ভিলা। একপেশে দ্বিতীয়ার্ধে পায় অনেক সুযোগ। তবে এ নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই তাদের সমর্থকদের। শেষ বাঁশি বাজার পর আতশবাজি পোড়ানোর সময় সমস্বরে চিৎকার করে উল্লাস করেন তারা।

এমন রাত আরও অনেক দেখতে চান ম‍্যাকগিন।

“যেন পাগলামি… আমরা এই ভক্ত-সমর্থকদের এমন এক অভিজ্ঞতা দিয়েছি, যা তারা আজীবন মনে রাখবে। আমরা নিজেদের নাম ইতিহাসে লিখে রাখতে চাই এবং এমন রাত আরও নিয়মিত করতে চাই।”