Published : 25 May 2026, 08:16 PM
চোট নিয়েই বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়েছেন লামিনে ইয়ামাল। পুরোপুরি ফিট নন নিকো উইলিয়ামস। চোট সমস্যা আছে আরও কয়েকজন খেলোয়াড়ের। তাদের সবাইকে প্রথম বা দ্বিতীয় ম্যাচে পুরোপুরি ফিট পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
গত ২২ এপ্রিল বার্সেলোনার হয়ে খেলার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান ইয়ামাল। চলতি মাসের শুরুর দিকে অনুশীলন শুরু করেছেন তিনি। তার চোটের সবশেষ অবস্থা নিয়ে বার্সেলোনা কিংবা স্পেন দল থেকে কিছু বলা হয়নি এখনও।
স্প্যানিশ গণমাধ্যমে বলা হয়েছিল, চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে ইয়ামালের। সেদিক থেকে বিশ্বকাপের আগেই তার সেরে ওঠার কথা।
ইয়ামালসহ কোনো খেলোয়াড়কে নিয়েই ঝুঁকি নিতে চান না দে লা ফুয়েন্তে। তবে কোনো খেলোয়াড় যদি নিজ থেকে ঝুঁকি নিতে চায় আপত্তি নাও করতে পারেন স্প্যানিশ কোচ।
“আমরা কোনো তাড়াহুড়া করব না। আমরা যে প্রতিবেদন ও সময়সীমা পেয়েছি, তাতে সবাইকেই প্রথম বা দ্বিতীয় ম্যাচে পাওয়ার কথা। আমরা কোনো ঝুঁকি নেব না।”
“এটা বিশ্বকাপ, এখানে কোনো কোনো খেলোয়াড় ঝুঁকি নিতে চাইতে পারে। যদি প্রয়োজন হয়, আমরা কিছুটা ঝুঁকি নেব। আমাদের প্রতিটি ম্যাচে জিততে হবে। যদি তারা না খেলে এর অর্থ হবে, আমি মনে করিনি তাদের খেলা উচিত।”
গত কয়েক মৌসুমে চোটের জন্য বেশ ভুগেছেন পেদ্রি। বার্সেলোনা মিডফিল্ডার পুরোপুরি ফিট অবস্থায় থাকায় দারুণ খুশি দে লা ফুয়েন্তে।
“তার চোটের জন্য আমরা ইউরোতে খুব ভুগেছিলাম। আমি খুশি যে, সে ফিরেছে। যদি সে ক্লাবের ছন্দ ধরে রাখতে পারে তো আমি খুবই খুশি হব। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, সে এখনও উন্নতি করতে পারে। আর সেরা পারফরম্যান্স করার জন্য বিশ্বকাপের চেয়ে ভালো জায়গা কোনটা?”
২৬ জনের দল বাছাইয়ে স্পেন কোচ সবচেয়ে বেশি ভুগেছেন গোলরক্ষক ঠিক করতে গিয়ে। বিশ্বকাপে আরেকটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাকে। দুর্দান্ত তিন গোলরক্ষকের মধ্যে কাকে খেলাবেন তিনি?
“আপনারা কেন (দাভিদ) রায়াকে নিয়ে কথা বলেন না। কেন সবসময় উনাই (সিমন) ও হোয়ানের (গার্সিয়া) কথা বলেন? আমাদের রায়াকে নিয়ে কথা বলা প্রয়োজন। আমি জানি, যেই খেলুক সেই খুব ভালো করবে। আমাদের দলে আছে বিশ্বের সেরা গোলরক্ষকরা।”
নিজের দল নিয়ে ভীষণ আশাবাদী দে লা ফুয়েন্তে। বিশ্বকাপে নিজেদের উজাড় করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন স্পেন কোচ।
“আমরা ফেভারিটদের মধ্যেই আছি। কিন্তু এটা কোনো কিছুর নিশ্চয়তা দিচ্ছে না। একই পর্যায়ের আরও কিছু দল আছে। ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ব্রাজিল… তারাও আমাদের মতোই শিরোপার দাবিদার। ফুটবলে যখন আপনি কোনো দলের উপর আধিপত্য করবেন, তখনও হারতে পারেন। আমরা সবটুকু দিয়ে লড়াই করব।”