২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ
Published : 31 May 2026, 07:31 PM
বিশ্ব মঞ্চে এখন নিয়মিত দেখা যায় জাপানকে। চমকপ্রদ সব পারফরম্যান্সও উপহার দেয় তারা। কিন্তু শেষ ষোলোর গণ্ডি এখন পর্যন্ত পেরুতে পারেনি এশিয়ার দলটি। এবার সেই গেরো খুলতে মরিয়া অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দো।
১৯৯৮ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলে জাপান। সেবার গ্রুপ পর্বেই শেষ হয় যায় তাদের অভিযান। পরের আসরে তারা জায়গা করে নেয় শেষ ষোলোয়। এরপর আরও তিনবার ওই ধাপে খেলে দলটি, গত দুই আসরে টানা।
ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ৩৩ বছর বয়সী এন্দো বলেন, উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলে তাদের নিয়ে মানুষের ভাবনা বদলে দিতে চান তারা।
“আমি চাই মানুষ আমাদের খেলা দেখুক এবং আপনমনে চিন্তা করুক যে ‘এই ছেলেরা হয়তো সবকিছু (বিশ্বকাপ) জিততে পারে।”
নিজের দল নিয়ে আত্মবিশ্বাসের জোরেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নও দেখতে পারছেন এন্দো। এমন উচ্চাকাঙ্ক্ষার কারণও অবশ্য আছে। গত বিশ্বকাপে যে চমক দেখিয়েছিল তারা; চার বছর আগে কাতারে গ্রুপ পর্বে সাবেক দুই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন ও জার্মানিকে হারিয়ে দিয়েছিল তারা।
ওই পারফরম্যান্সে শুধু সবাইকে অবাকই করেনি জাপান, বিশ্ব ফুটবলে সমীহ করার মতো দলে পরিণত হয়েছে।
“আমার মনে হয়, জার্মানি ও স্পেনকে হারানোই প্রমাণ করে যে আমরা সত্যিই একটি শক্তিশালী দল।”
কাতার বিশ্বকাপের পর জাপানের ফুটবলারদের মানসিকতায়ও পরিবর্তন এসেছে। একটা সময় বড় দলগুলোর বিপক্ষে রক্ষণাত্মক খেলে ইতিবাচক ফল পাওয়ার চেষ্টা করত তারা। তবে এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে।
“কাতার বিশ্বকাপের পর, আমাদের মধ্যে অনেকেই ভাবতে শুরু করে, মাঠে আরও বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চাই।”
“এরপর থেকে, যত ম্যাচ আমরা খেলেছি, সেরা দলগুলোর বিপক্ষে কিভাবে জিততে পারি, আমরা সেই চিন্তাই করেছি।”