Published : 05 Jun 2026, 09:56 AM
ছয় দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর সামর্থ্য ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, ব্রুনো ফের্নান্দেসদের দলে দেখছেন আন্তোনিও সিমায়েশ। পর্তুগালের অভিষেক আসরে খেলা সাবেক এই উইঙ্গার লক্ষ্য পূরণ করতে দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার তাগিদ দিয়েছেন।
১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপে অভিষেক হয় পর্তুগালের। ওই দলের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়দের একজন ছিলেন সিমায়েশ। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানের জয়ে প্রথম গোলটি করেন তিনি।
কোয়ার্টার-ফাইনালে এক পর্যায়ে ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর, দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে উত্তর কোরিয়াকে ৫-৩ গোলে হারায় পর্তুগাল। ইউসেবিও একাই করেন চার গোল। সেমি-ফাইনালে অবশ্য ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পারেনি তারা, হারে ২-১ ব্যবধানে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে তারা একই ব্যবধানে হারায় সোভিয়েত ইউনিয়নকে।
এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে পর্তুগালের সেরা সাফল্য সেটিই। ৮২ বছর বয়সী সিমায়েশ ফিফার মুখোমুখি হয়ে ওই আসরে ইউসেবিওর সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বললেন। আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য উত্তরসূরিদের পথ বাতলে দিলেন তিনি।
“এই প্রজন্মের সবকিছু আছে। তাদের শক্তিশালী একটি রক্ষণ আছে, আক্রমণভাগে গোলস্কোরার আছে, মিডফিল্ডে চিন্তাশীল খেলোয়াড় আছে। কোনো দলের চিন্তাশীল খেলোয়াড় না থাকলে তাদের যেকোনো অবস্থাতেই সংগ্রাম করতে হয়। পর্তুগালের ওই চিন্তাশীল খেলোয়াড় আছে।”
“তবে পর্তুগালের কখনও তাদের গর্ব ও একতা হারানো উচিত নয়। আশা করি, প্রতিটা খেলোয়াড় ইতিহাস গড়ার সংকল্প নিয়ে মাঠে নামবে। বুঝতে পারবে যে নম্রতা মানে আত্মসমর্পন নয়, বরং সাফল্যের পথ।”
পর্তুগিজ মহাতারকা ও অধিনায়ক রোনালদোর ওপর অনেক আস্থা সিমায়েশের। তিনি মনে করেন, এখনও বড় ভূমিকা রাখতে পারেন অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড।
“সে অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। সম্ভবত এটাই তার বিশ্বকাপ জেতার শেষ সুযোগ। যদি গোলের কাছাকাছি থাকে, তো সে এখনও ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।”