এএফসি উইমেন’স অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ
Published : 31 Mar 2026, 03:51 PM
প্রস্তুতি পর্ব শেষ, এখন অপেক্ষা মাঠের লড়াইয়ের। প্রথমবারের মতো এএফসি উইমেন’স অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপে খেলার রোমাঞ্চ সঙ্গী, তবে এই টুর্নামেন্ট নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছেন না পিটার জেমস বাটলার। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচের চাওয়া, থাইল্যান্ডে তার দল খেলকু প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও ইতিবাচক ফুটবল।
পাথুম থানির থাম্মাসাত স্টেডিয়ামে বুধবার স্বাগতিক থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে গ্রুপ পর্ব শুরু করবে বাংলাদেশ। ‘এ’ গ্রুপে আফঈদা-প্রীতিদের বাকি দুই প্রতিপক্ষ চীন ও ভিয়েতনাম।
গ্রুপের চার দলের মধ্যে বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতা আনকোরা কেবল বাংলাদেশ। চীন ২০০৬ সালের চ্যাম্পিয়ন, থাইল্যান্ড ২০০৪ সালের সেমি-ফাইনালিস্ট। ভিয়েতনামও সবশেষ তিন আসরে খেলেছে।
তিন গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ এবং তৃতীয় হওয়া তিন দলের মধ্যে সেরা দুটি খেলবে কোয়ার্টার-ফাইনালে। একই সমীকরণ ছিল সিনিয়র টিমের উইমেন’স এশিয়ান কাপেও, কিন্তু তিন ম্যাচের সবগুলো হেরে ছিটকে গিয়েছিল দল। অস্ট্রেলিয়ার আসরের সেই ব্যর্থতার প্রসঙ্গও বাংলাদেশ কোচ বাটলার টেনেছেন মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনে।
“শুভ অপরাহ্ন। হ্যাঁ, আমরা এইমাত্র সিনিয়র এশিয়ান কাপ শেষ করে এখানে এসেছি। আমাদের সাথে অনেক তরুণ খেলোয়াড় এসেছে, যাদের জন্য এটি প্রথম অভিজ্ঞতা। এখানে আসতে পারাটা তাদের জন্য অনেক বড় অর্জন এবং আমি আশা করি, এটি মেয়েদের জন্য একটি চমৎকার শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা হবে এবং তারা এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট থেকে কিছু শিখতে পারবে।”
“আমি অনূর্ধ্ব-২০ দলের ১০ থেকে ১২ জন তরুণ খেলোয়াড়কে সিনিয়র এশিয়ান কাপে নিয়েছিলাম; কারণ, তারা জাতীয় দলের কার্যক্রমের সঙ্গেই ছিল। আমরা ম্যাচগুলো হেরেছি ঠিকই, তবে এই যাত্রায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষণীয় বিষয় উঠে এসেছে।”
অস্ট্রেলিয়ায় অর্জন করা শিক্ষা থাইল্যান্ডে কাজে লাগাতে চান বাটলার। মাঠের লড়াইয়ে ভড়কে না গিয়ে দল স্বাভাবিক খেলাটা খেলবে, চাওয়া এই ইংলিশ কোচের।
“আমি সবসময় এই তরুণীদের নিজেদের সেরাটা দেওয়ার এবং অকৃত্রিম থাকার ওপর জোর দিয়েছি। সবচেয়ে বড় কথা হলো, এএফসি এবং সাফের মান সম্পূর্ণ আলাদা। আমি জানি, আমি সবসময় এটি নিয়ে কথা বলি, তবে এএফসি-ই হলো সেই জায়গা, যেখানে আপনি খেলতে চাইবেন—সেটি সিনিয়র হোক বা অনূর্ধ্ব-২০ দলের টুর্নামেন্ট হোক।”
“এখানে আসতে পেরে আমি আনন্দিত এবং আমি শুধু আশা করি, মেয়েরা নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেবে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ফুটবল খেলবে। আমার মনে হয়, সিনিয়র জাতীয় টুর্নামেন্টে তারা যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, তা আমাদের ভালো অবস্থানে রাখবে। আশা করি, ফলাফলের কথা চিন্তা না করে আমরা কিছু ইতিবাচক পারফরম্যান্স দেখতে পাব।”