০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
একজন উন্নয়নপেশাজীবী, লেখক ও কলামনিস্ট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। পেশাগত জীবনে তিনি দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছেন এবং বর্তমানে একটি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত আছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সমাজ, রাষ্ট্র, মানবকল্যাণ, নারী অধিকার ও পরিবেশবিষয়ক লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সাময়িকীতে তার নিবন্ধ, কলাম ও ভ্রমণগদ্য প্রকাশিত হয়েছে। বিতর্ক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে ওঠা তার। প্রকাশিত গ্রন্থ ‘মননকথা ভ্রমণগাথা’ পাঠকমহলে সমাদৃত হয়েছে।
প্রবীণদের দেখাশোনার দায়িত্ব কি শুধুই সন্তানদের, নাকি রাষ্ট্রেরও এখানে বড় কোনো দায় আছে? অনেক সন্তান মনভরা ভালোবাসা নিয়েও শুধু অর্থের অভাবে কিংবা সঠিক কেয়ার গিভিং সিস্টেমের অনুপস্থিতিতে মা-বাবার যথাযথ যত্ন নিতে পারেন না। সমাজ ঢালাওভাবে সন্তানদের দোষারোপ করলেও, আমাদের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সীমাবদ্ধতা নিয়ে আমরা কতটুকু ভাবছি?
নতুন সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সার্থক করতে হলে দারিদ্র্যকে দেখতে হবে নতুন লেন্সে। কেবল ভাতা নয়, দরকার দীর্ঘমেয়াদী আত্মনির্ভরশীলতার পথ।
দারিদ্র্যের হার কম এরকম অনেক জেলায় নতুন করে দারিদ্র্যের পকেট তৈরি হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি সংস্থার নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টায় দারিদ্র্যের হার কমে আসা অনেক জেলাতেই ফের বাড়ছে দারিদ্র্যের হার।