শেরপুরে ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগে কৃষকলীগ নেতা গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার জহুরুল ইসলাম শ্রীবরদী উপজেলার খড়িয়া কাজিরচর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি।
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ভাতিজীকে ধর্ষণের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ কৃষকলীগের এক নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।
শ্রীবরদী থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, শনিবার দুপুরে খামারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তার জহুরুল ইসলাম শ্রীবরদী উপজেলার খড়িয়া কাজিরচর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি। রোববার তাকে শেরপুর আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছেন, জহুরুল ইসলাম সম্পর্কে ওই শিক্ষার্থীর জ্যাঠা। জহুরুল ইসলামের মেয়ে ওই শিক্ষার্থীর সহপাঠী ও বান্ধবী।
শনিবার দুপুরে জহুরুল ইসলামের মেয়েকে খুঁজতে তাদের বাড়িতে যায় ওই শিক্ষার্থী। এ সময় জহুরুল ইসলাম জানান, তার স্ত্রী ও মেয়ে বাড়িতে নেই। পরে তিনি ওই শিক্ষার্থীকে ঘরে ডেকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তারা জহুরুলকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, “শনিবার দুপুরে বান্ধবীকে খুঁজতে তাদের বাড়িতে যাই। সেখানে যাওয়ার পর আমাকে ঘরে ডেকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
ওসি আব্দুল লতিফ মিয়া বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবার দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জহুরুলকে আদালতে তোলা হয়েছে। আর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে জেলা সদর হাসপাতালে।
