জমির বিরোধে বিএনপির নাম জড়ানোর চেষ্টা, লালমনিরহাটে সংবাদ সম্মেলন
“এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটি দুটি পরিবারের অভ্যন্তরীণ সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধ।”
লালমনিরহাটে পৈতৃক জমি নিয়ে ব্যক্তিগত বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে বিএনপি ও দলের শীর্ষ নেতাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে জেলা বিএনপি।
শুক্রবার সকালে জেলা বিএনপির ‘হামার বাড়ি’ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “গত ৫ অক্টোবর বিডিআরহাট এলাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পারিবারিক ও পৈতৃক সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধকে রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
“এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটি দুটি পরিবারের অভ্যন্তরীণ সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধ।”
মমিনুল হক অভিযোগ করেন, “জমি নিয়ে বিরোধে জড়িত একটি পক্ষ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল। গত ৫ অগাস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা বিএনপিতে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।”
তিনি দাবি করেন, “জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় করা মামলার আসামিরা সবাই সংশ্লিষ্ট পরিবারের নিকটাত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ সদস্য। এ বিষয়টি আড়াল করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে বিরোধটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হচ্ছে।”
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে মমিনুল হক বলেন, দলটি কোনো ধরনের নৈরাজ্য, বলপ্রয়োগ বা দখলদারত্ব সমর্থন করে না। মাদক কারবার ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থার পক্ষে বিএনপি।
এ সময় জমি নিয়ে বিরোধে জড়িত ব্যক্তি এবং বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় যুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পৌর বিএনপির সভাপতি আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনিছুর রহমান (ভিপি আনিছ) সহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
