১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দি ৫ শতাধিক পরিবার

“শনিবার রাতে ১১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়েছে; যা এই মৌসুমে সর্বোচ্চ।”

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Sep 2025, 03:22 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:15 PM

ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চেঙ্গী নদীর পানি বেড়ে খাগড়াছড়ির নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে অন্তত ৫ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

শনিবার রাতের বৃষ্টিতে জেলা শহরের নিচের বাজার, গরুবাজার, মেহেদীবাগ, উত্তর গঞ্জপাড়া ও শব্দমিয়া পাড়াসহ আশপাশের বেশ কিছু এলাকা পানিতে ডুবে যায়।

রোববার সকাল থেকে বৃষ্টি না হলেও চেঙ্গী নদীতে পানি বাড়ায় শহরের বিভিন্ন খালে পানি আটকে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। 

এতে চলাচলের রাস্তা ও ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মেহেদীবাগ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, “রাতে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। এ বৃষ্টিতে এমন হওয়ার কথা নয়। এ কারণে আমাদের কোনো প্রস্তুতি ছিল না।

“সকালে কিছু বুঝে উঠার আগেই ঘরে বন্যার পানি ঢুকে যায়। অনেক কিছুই নষ্ট হয় গেছে।”

দীঘিনালার প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কার্যালয়ের বেলুন মেকার সুভূতি চাকমা চাকমা বলেন, “শনিবার রাতে ১১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়েছে; যা এই মৌসুমে সর্বোচ্চ।” 

খাগড়াছড়ি পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, “আমরা বন্যায় আক্রান্তদের খোঁজখবর নিচ্ছি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের মাঝে আমরা খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করার উদ্যোগ নিয়েছি।

“যেহেতু রোদ উঠেছে আর ঢলের পানির কারণে পানি এসেছে। আশা করি, বন্যার পানি দ্রুত কমে যাবে।”

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার বলেন, “অন্তত ৫ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই আমরা আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দিয়েছি।

“লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রে আসলে তাদের জন্য পানি ও খাবারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”