১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সিরাজগঞ্জে জাবি শিক্ষিকার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা জামায়াত নেতার

“ন্যায় বিচার পেতে আমি মামলা করেছি।”

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Nov 2025, 03:12 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:36 PM

টকশো’তে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিভাগের রেজিস্ট্রার ও সহকারী অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খানের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের একটি আদালতে মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় মানহানির মামলাটি দায়ের করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনের জামায়াত মনোনীত সম্ভাব্য প্রার্থী অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম। 

বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা আদালতে লিখিত অভিযোগের পাশাপাশি ভিডিও ক্লিপসহ সব প্রমাণ উপস্থাপন করেছি।

“বিজ্ঞ আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে এম শাহরিয়ার শহিদ বাপ্পি অভিযোগটি প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য বিবেচনায় নিয়েছেন।”

মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ২৫ অক্টোবর গাজী টিভির ‘রেইনবো নেশন বনাম ধর্মীয় কার্ড’- নামের একটি অনিুষ্ঠানের আলোচনায় অংশ নিয়ে নাহরিন ইসলাম খান জামায়াত নেতা জাহিদুল ইসলামকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, “জামায়াতের সিরাজগঞ্জ শাখার সেক্রেটারি বলেছেন, আওয়ামী লীগ নেতারা পালিয়ে গেলে তাদের স্ত্রীদের প্রতি ‘জামায়াতের হক’ আছে। যা দিয়ে তিনি ইঙ্গিত দেন যে- জামায়াতের নেতাকর্মীরা নারী লোভী।”

পরে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

তবে সাক্ষাৎকার পর্যালোচনা করে দেখা যায়, জাহিদুল ইসলাম সেখানে বলেছেন, “৫ অগাস্টের ঘটনার পর আওয়ামী লীগের অনেক কর্মী নানা হয়রানির শিকার হয়েছেন। কিন্তু আমাদের দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হননি। আমাদের ধারণা, সাধারণ ভোটারদের অনেকেই এবার আমাদের পক্ষে ভোট দেবেন।”

জামায়াত নেতা অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম বলেন, “নাহরিন ইসলাম খানের বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও কুরুচিপূর্ণ। যা আমার ব্যক্তিগত মর্যাদা ও জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। যে কারণে ন্যায় বিচার পেতে আমি মামলা করেছি।”