১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

স্ত্রীর পক্ষে ভোটের প্রচার: পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

এই পুলিশ কর্মকর্তার ভাষ্য, সরকারি যানবাহন ব্যবহার করে স্ত্রীর প্রচারে অংশ নেওয়ার বিষয়টি ‘বানোয়াট’।

স্ত্রীর পক্ষে ভোটের প্রচার: পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হামিদুল আলম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বগুড়া প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Jan 2024, 04:34 PM

Updated : 04 Jan 2024, 04:34 PM

সরকারি কর্মকর্তা হয়ে বগুড়া-১ আসনে স্ত্রীর পক্ষে প্রচার চালানোর অভিযোগে বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হামিদুল আলমকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 

বুধবার নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত অনাপত্তিপত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবকে পাঠানো হয়।

এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর হামিদুল আলমকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ অধিদপ্তরে সংযুক্ত করার জন্য নির্বাচন কমিশনের সম্মতি চেয়ে চিঠি দিয়েছিল জননিরাপত্তা বিভাগ।

পুলিশ কর্মকর্তা হামিদুলের স্ত্রী শাহাজাদী আলম লিপি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তবলা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-১ আসনে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হামিদুল আলম একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও চাকরি থেকে এক মাসের ছুটি নিয়ে বগুড়ায় গিয়ে স্ত্রীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

সে কারণে ওই আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ শাহনাজ পারভীন ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে তলব করেন।

পুরানো খবর:

বগুড়ায় স্ত্রীর পক্ষে প্রচারের অভিযোগে অতিরিক্ত ডিআইজিকে তলব

সে অনুযায়ী হামিদুল আলম বৃহস্পতিবার নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির সামনে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখা দেন বলে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার আরিফুর রহমান জানান।

নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির তলবের চিঠিতে বলা হয়, ২ জানুয়ারি দৈনিক বগুড়া অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপির ভোটের প্রচারে হামিদুল আলমের অংশ নেওার বিষয়টি কমিটি জানতে পারে। 

হামিদুল আলমকে উদ্দেশ করে চিঠিতে লেখা হয়, “চাকরি থেকে এক মাসের ছুটি নিয়ে একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে এলাকায় এসে স্ত্রী শাহাজাদী আলম লিপির পক্ষে নির্বাচনি প্রচার চালাচ্ছেন। এ ছাড়া আপনার প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে পুরো নির্বাচনি এলাকা বিপর্যস্ত করে রেখেছেন।

“সঙ্গে নির্বাচনি প্রচারে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন। যা আপনার পেশাগত আসদাচরণের পাশাপাশি সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি-২০০৮ এর ১৪ (১) (২) নম্বর বিধির সুস্পষ্ট লংঘন।”

কমিটির তলবে হাজির হয়ে কী ব্যাখ্যা দিয়েছেন জানতে চাইলে হামিদুল আলম বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সরকারি যানবাহন ব্যবহার করে আমার স্ত্রীর প্রচারে অংশ নেওয়ার বিষয়টি বানোয়াট। আমি বিষয়টি অনুসন্ধান কমিটির কাছে তুলে ধরেছি। বাকিটা উনারা দেখবেন।”