ঠাকুরগাঁওয়ে যুবলীগ নেতাকে ‘ছিনিয়ে নিতে থানা ঘেরাও’, লাঠিপেটা
হত্যাচেষ্টা এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগে যুবলীগ নেতা মতিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় গ্রেপ্তারের পর যুবলীগের এক নেতাকে ছিনিয়ে নিতে থানা ঘেরাওয়ের অভিযোগ উঠেছে তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিপেটা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
বুধবার দুপুরে রাণীশংকৈল থানায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ওসি মুহাম্মদ আরশেদুল হক।
গ্রেপ্তার মতিউর রহমান মতি (৪৫) উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। এ ছাড়া তিনি হোসেনগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।
ওসি আরশেদুল হক বলেন, মঙ্গলবার রাতে মারপিট ও শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টা এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগে মতির বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন হোসেনগাঁও ইউনিয়নের উত্তরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মমতাজ আলী। মামলায় মতিকে প্রধান আসামি করা হয়।
এ ছাড়া মামলায় আরও দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, মামলার পর বুধবার ভোরে অভিযান চালিয়ে মতিকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হয়। মতিকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে দুপুরে তার সমর্থকরা থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাফিউল মাজলুবিন রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। এরপরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে পুলিশ লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
ইউএনও শাফিউল মাজলুবিন রহমান বলেন, “থানা ঘেরাওয়ের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে লোকজনদের বোঝানোর চেষ্টা করি। খালি গলায় ও হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে প্রায় আধাঘণ্টা ধরে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।”
ওসি আরশেদুল হক বলেন, “মৃদু লাঠিচার্জ করার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে গ্রেপ্তার মতিকে আদালতে পাঠানো হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলবে।”
