Published : 23 Apr 2016, 08:59 PM
স্বজনরা জানিয়েছেন, তার পায়ের শেকল খুলে দিলেই আক্রমণ করে বসে; তাই এভাবেই তাকে বেঁধে রাখতে হয়। শনিবার ইউনিয়ন পরিষদ নিবার্চনে ভোট দেওয়ার বায়না ধরলে তারা হানিফাকে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসেন।
‘ভোট দিতে পেরে দারুণ খুশি হানিফা,’ বলেন তার এক স্বজন।
শনিবার তৃতীয় দফা ইউপি নির্বাচনে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের আফজাল উদ্দিন হাই স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি।
হানিফা জামিরবাড়ি গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে। তার ছোট ভাই রেজাউল জানান, প্রায় বছর তিনেক আগে কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী ইউনিয়নের জামিরবাড়ি গ্রামের হানিফার স্ত্রী সংসার ছেড়ে চলে গেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন হানিফা।
“এতে তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়ে উদ্ভট আচরণ করতে থাকেন। ফলে শুধু বাড়ির লোকজনকে নয়, পাড়া-প্রতিবেশীদের যাকেই সামনে পান তাকেই মারধর করেন হানিফা।
“চিকিৎসার ব্যবস্থা নিয়েও অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় বাধ্য হয়েই তার পা দুটি শিকলে বেঁধে রাখে পরিবারের লোকজন।”
