১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মৌলভীবাজারে মনু নদীতে মিলল ‘রোহিঙ্গা’ নারীর লাশ

পুলিশ জানায়, সুরতহালের সময় লাশের সঙ্গে মোবাইল ফোন ও কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি কার্ড পাওয়া যায়।

মৌলভীবাজারে মনু নদীতে মিলল ‘রোহিঙ্গা’ নারীর লাশ
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় মনু নদী থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Mar 2025, 02:21 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:57 AM

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় মনু নদী থেকে এক ‘রোহিঙ্গা’ নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার কুলাউড়া থানার ওসি মো. গোলাম আপছার জানান, সোমবার বিকেলে দাউদপুর এলাকায় ভারতের ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী মনু নদীতে ভাসমান অবস্থায় লাশটি পাওয়া যায়।

পুলিশ জানায়, সুরতহালের সময় লাশের সঙ্গে মোবাইল ফোন ও কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি কার্ড পাওয়া যায়। ওই কার্ডে নাম লিখা রয়েছে ফাতেমা পারভীন। তবে পুলিশ নিশ্চিত নয় যে তিনিই পারভীন।  

কুলাউড়া হাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মনিরুজ্জামান হেলাল বলেন, মনু নদীতে ভাসমান অবস্থায় ওই লাশটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। 

তিনি বলেন, “এসময় লাশের সঙ্গে একটি মোবাইল ফোন ও কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি কার্ড পাওয়া যায়। ওই কার্ডে নাম লিখা রয়েছে ফাতেমা পারভীন।” 

এ বিষয়ে কুলাউড়া থানা এসআই এনামুল হক সাগর বলেন, “সুরতহালের সময় লাশের সঙ্গে একটি মোবাইল ফোন ও একটি সাদা কাগজের কার্ড পাওয়া যায়। এই কার্ডে লেখা রয়েছে ইউএনএইচসিআর নাম্বার- ৩০৫-১৬সি০১৯৫৭। নাম- পারভীন ফাতেমা, বাবা- হারুন মোহাম্মদ। জন্ম তারিখ ০১ জুন ২০০৭। কান্টি অফ অরজিন মায়ানমার।” 

তিনি বলেন, “লাশের সঙ্গে এই কাগজ পেলেও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি যে মরদেহটি পারভীন ফাতেমার। অন্য কারো কার্ডও তার কাছে থাকতে পারে। এ ব্যাপারে তাদের তদন্ত চলছে “

ওসি গোলাম আপছার বলেন, “লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। লাশের সঙ্গে কিছু ডকুমেন্ট পেলেও আপাতত লাশটি অজ্ঞাত হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে।” 

বিষয়টি কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও অবগত করা হয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।