Published : 10 Nov 2025, 05:35 PM
পার্বত্য চট্টগ্রামের ‘অবিসংবাদিত নেতা ও জুম্ম জাতীয় চেতনার অগ্রদূত’ মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা-এমএন লারমার ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খাগড়াছড়ি সদর ও মহালছড়িতে র্যালি ও স্মরণসভা হয়েছে।
বক্তারা বলেন, মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জাতির অধিকার আন্দোলনের পথিকৃৎ। তার ত্যাগ, আদর্শ ও সংগ্রামী চেতনা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
সোমবার সকালে মহালছড়ি উপজেলার মুবাছড়ি খুলারামপাড়া রাধামন স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠ থেকে একটি শোকর্যালি বের হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার স্মৃতি ভাস্কর্যে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

পরে রাধামন স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-এমএন লারমা) আয়োজনে স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন অনুষ্ঠান পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক সুভাষ কান্তি চাকমা।
এতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিমল কান্তি চাকমা, সাধারণ সম্পাদক অংশুমান চাকমা, সহ-সাধারণ সম্পাদক সুদর্শন চাকমা, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক কাকলী খীসা, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রীতি খীসা ও ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অমর চাকমা বক্তব্য দেন।

এদিকে সকালে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের মহাজনপাড়া সূর্যশিখা ক্লাব থেকেও শোক র্যালি বের করা হয়। পরে র্যালি নিয়ে চেঙ্গী স্কোয়ারে অবস্থিত মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার স্মৃতি ভাস্কর্যে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। এ ছাড়া সদরের তেঁতুলতলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কার্যালয়ে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

এম এন লারমা অবিভক্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথম সংসদ সদস্য ছিলেন। ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর ভোরে খাগড়াছড়ির পানছড়িতে ভিন্ন মতাবলম্বীদের অতর্কিত হামলায় মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমাসহ আটজন নিহত হন।