নাইক্ষ্যংছড়িতে ‘মাইন বিস্ফোরণে’ এবার রোহিঙ্গা শ্রমিক নিহত
গত ২৪ মে ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় কলাবাগানে কাজ করতে গিয়ে স্থলমাইন বিস্ফোরণে একসঙ্গে মারা যান তিনজন।
বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় আবারও ‘মাইন বিস্ফোরণের’ ঘটনা ঘটেছে। এবার বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন এক রোহিঙ্গা শ্রমিক।
মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রেজু আমতলী সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে ওসি মোজাম্মেল হক জানান।
নিহত আব্দুল খালেক (৩০) কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা কুতুপালং ক্যাম্প-১ (ব্লক-সি) এলাকার বাসিন্দা মো. আনুর ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি মোজাম্মেল হক বলেন, রেজু আমতলী বিওপির আওতাধীন সীমান্ত পিলার-৪০ এর পশ্চিমে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায় ৭০০ গজ দূরে শাহ আলমের বাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন আব্দুল খালেক।
এ সময় হঠাৎ একটি স্থলমাইনের বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে আব্দুল খালেকের বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং ডান পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে সিএনজি অটোরিকশায় উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
বান্দরবানের সীমান্ত এলাকাজুড়ে বছর দুয়েক ধরে মাঝেমধ্যেই স্থলমাইন বিস্ফোরণে হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
গত ২৪ মে ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাঁড়ির সীমান্ত পলাশছড়া এলাকায় কলাবাগানে কাজ করতে গিয়ে স্থলমাইন বিস্ফোরণে প্রাণ গেছে একসঙ্গে তিনজনের। এরপর ২ সীমান্তের একই এলাকায় মর্টারশেল বিস্ফোরণে তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের আরেক কিশোরের মৃত্যু হয়।
এসব স্থলমাইন বিস্ফোরণের প্রাণ হারানোদের মধ্যে বিজিবি সদস্যও আছেন। অনেকেই পা হারিয়ে বা অঙ্গহানি হয়ে চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছেন। এতে আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছেন এলাকাবাসী। তাদের চাষাবাদ ও দৈনন্দিন কাজে চরম দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন-
