Published : 27 Feb 2026, 04:46 PM
ছুটির দিনের মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে দেশ। এ সময় কম্পনে আতঙ্কিত হয়ে বাড়ির বাইরে বের হয়ে এসেছিলেন যশোরে বাসিন্দারা
শুক্রবার বেলা ১টা ৫২ মিনিটে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৩।
বাংলাদেশের আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র ছিল সাতক্ষীরার জেলা সদর থেকে ২৯ দশমিক ৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্বে আশাশুনি এলাকায়।
সাতক্ষীরার পাশের জেলা যশোরে কম্পন কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হলেও বড় ধরনের আঘাত বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, এবং এখন পর্যন্ত কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
তবে আতঙ্কে ঘর থেকে বের হয়ে এসেছিলেন অনেকে। যশোরে প্রেস ক্লাবে গল্পে মত্ত সাংবাদিকেরা তীব্র ধাক্কার সাথে সাথে দিকবিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন।
নিউজ টোয়েন্টিফোরের যশোর প্রতিনিধি বুলবুল শহীদ খান হিমেল বলেন, “ভবনে এমন ধাক্কা মানে যে, ভূমিকম্প তা সকলেই বুঝতে পারেন এবং ধাক্কা এতো তীব্র ছিল যে, তা আতংক বা উদ্বেগ তৈরি করে। এ জন্য আমরা দ্রুত ভবন থেকে বেরিয়ে আসি।”
বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, দুপুরে তিনি তার যশোরের অফিসে চেয়ারে বসে দুজনের সাথে কথা বলছিলেন। হঠাৎ জোরে একটি ধাক্কার সাথে ঝাঁকুনি শুরু হয়। বুঝতে পারেন ভূমিকম্প। ঘর থেকে বেরিয়ে বাইরে এসে দাঁড়ান।
জাহিদ বলেন, “যশোরে আগেও ভূকম্পন অনুভব করেছি। কিন্তু কম্পন অনুভবের আগে বড় একটি ধাক্কা এই প্রথম প্রত্যক্ষ করলাম।”
আগের সংবাদ