Published : 14 Jul 2026, 01:07 PM
নীলফামারীর তিস্তা নদীতে পানি কমতে শুরু করে বিপৎসীমার নিচে নেমে এসেছে।
মঙ্গলবার বেলা ১২টায় দেশের সর্ববৃহৎ তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা পানির সমতল ৫২ দশমিক ১০ সেন্টিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের তিস্তা নদীর পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় নদীর এ পয়েন্টে (খালিশাচাপানি বাইশপুকুর) বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ পানি এখন বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এর আগে এদিন সকাল ৯টায় পানি ৫২ দশমিক ১৯ (বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর) এবং ৬ টায় ৫২ দশমিক ২২ (বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর ) দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।
এর আগে টানা বর্ষণ পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করায় সোমবার রাত ১০টায় বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার (৫২ দশমিক ২৫) ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড তিস্তা ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, রাত থেকে পানি বিপৎসীমার ওপরে ছিল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়। পরে ভোর থেকে নদীর পানি কমতে শুরু করে।
এদিকে তিস্তায় পানি বেড়ে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী ইউনিয়ন ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে বেশকিছু ঘরবাড়িতে সোমবার বিকালে বানের পানি প্রবেশ করেছে বলে তিস্তা পাড়ের মানুষজন জানায়।
জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন, নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে সোমবার বিকাল থেকে তার ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেশ্বর ও পূর্ব ছাতনাই গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ১ হাজার ২০০ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
ডিমলা টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন বলেন, তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে চর এলাকার ১ হাজার ৩৫০ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
আগের সংবাদ