গাইবান্ধায় ভুল প্রশ্নপত্রে আলিম পরীক্ষা, কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি
ইংরেজি প্রথম পত্রে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হয়।
ভুল প্রশ্নপত্রে আলিম পরীক্ষা নেওয়ায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার এক কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষায় এ ভুল হওয়ায় সোমবার সংশ্লিষ্ট সচিবকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয় বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূর-এ-আলম।
অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকের নাম কে. ওয়াই. এম আব্দুল্লাহ। তিনি ধুমাইটারী সিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব ও ওই মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ।
নতুন করে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন একই উপজেলার ভুরারঘাট মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নিলুফার ইয়াছমিন।
উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই উপজেলার আলিম পরীক্ষার একমাত্র কেন্দ্র ধুমাইটারী সিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় রোববার ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় ২২৬ শিক্ষার্থী অংশ নেন। এতে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হয়।
ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
আব্দুল আজিজ নামের এক পরীক্ষার্থী বলেন, “আমরা যারা পরীক্ষার্থী তারা নাহয় বিষয়টি বুঝতে পারিনি। কিন্তু যারা পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন তারা কীভাবে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিলেন?”
ওই কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসার ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদ লস্কর বলেন, “পরীক্ষা চলাকালে কেউ বিষয়টি জানায়নি। তবে যদি ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়ে থাকে তাহলে এ দায় পুরোটাই কেন্দ্র সচিবের।”
অবশ্য এ বিষয়ে কথা বলতে ক্দ্রে সচিব কে. ওয়াই. এম আব্দুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এক প্রশ্নর উত্তরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূর-এ-আলম জানিয়েছেন, পরীক্ষার্থীদের দুঃশ্চিন্তার কিছু নেই। মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড নিশ্চিত করেছে যে, প্রশ্নপত্র অনুযায়ীই শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।
