Published : 11 Sep 2025, 03:00 PM
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ আসার পর জটিলতা তৈরি হলে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা হল কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ প্রায় সোয়া ঘণ্টা বন্ধ ছিল।
বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ভোটে অনিয়ম হচ্ছে এমন অভিযোগ করে একজন ছেলে ভিপি প্রার্থী মেয়েদের এই কেন্দ্রে প্রবেশ করেন বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন। তখন শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ করেন।
সেই জটিলতার কারণেই সোয়া এক ঘণ্টা ভোট বন্ধ ছিল। পরে দুপুরে দেড়টার দিকে পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
ভোট বন্ধ রাখার খবর পেয়ে জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্যসচিব অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমসহ অন্যান্য হলে যান। তারা হল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

হল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, “এখানে যারা নির্বাচনের দায়িত্বে আছেন এবং পর্যবেক্ষণ করছেন তাদের সবার সঙ্গে কথা বলে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে। এখন ভোট গ্রহণ পুনরায় শুরু হয়েছে।
মেয়েদের হলে ছেলে প্রার্থীর প্রবেশ নিয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে অধ্যাপক রাশিদুল আলম বলেন, “এ ব্যাপারে আমরা এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। যদি অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুপুরে ছাত্রদলের জিএস প্রার্থী তানজিলা হোসেন বৈশাখী হল পরিদর্শনে আসেন। কিন্তু তিনি হলে ঢুকতে পারেননি। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেন ছাত্রদলের ভিপি পদপ্রার্থী শেখ সাদি হাসান। তারপরই জটিলতার সৃষ্টি হয়।

ঘটনার সময় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা হল কেন্দ্রে ছিলেন বাগাছাসের ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরামের’ প্যানেলের শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদপ্রার্থী ফারহানা বিনতে জিগার ফারিনা। তিনি বলছিলেন, “ছাত্রদলের জিএস প্রার্থী এসে হলে ঢুকতে পারেননি। এটি আমি অন্য প্যানেলের প্রার্থী হয়েও প্রতিবাদ করতাম। কিন্তু ছেলে হয়ে কেন একটা মেয়েদের হলের দোতলায় গেল? ছেলেরা বাইরে থেকে দেখে চলে যাবে। কেন ভেতরে ঢুকবে? তাহলে মেয়েদের নিরাপত্তা কোথায়?”
অভিযোগে বিষয়ে জানতে চাইলে এই প্রার্থী বলেন, তিনি কোনো কারচুপি দেখতে পাননি। সেখানে বামপন্থি প্যানেলের পোলিং এজেন্ট রয়েছে। তাদের কাছ থেকেও তিনি কোনো অভিযোগ পাননি।