Published : 23 Mar 2026, 08:12 PM
ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে রাঙামাটির পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো। সাজেকের সব রিসোর্ট পরিপূর্ণ।
রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ঝুলন্ত সেতুতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে পর্যটকদের ব্যাপক ভিড়। ঝুলন্ত সেতুর পাশ থেকেই ট্যুরিস্ট বোট ভাড়া নিয়ে কাপ্তাই হ্রদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা। পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের সানরাইজ ইকো পার্কেও অবকাশযাপন করছেন ভ্রমণপ্রেমীরা।
এ ছাড়া রাঙামাটির পলওয়েল পার্ক, ডিসি বাংলো পার্ক, আসাম বস্তি ব্রিজ, আসাম বস্তি-কাপ্তাই সংযোগ সড়কে (বড়াদম) পর্যটক ও স্থানীয়দের উপস্থিতি বেড়েছে।
তবে এবারের ঈদে রাঙামাটির অন্যতম নতুন আকর্ষণ সওজ লেকভিউ গার্ডেন। প্রায় শত প্রজাতির ফুলের এই বাগানে পর্যটকদের থেকেও স্থানীয়রা বেশি ভিড় জমাচ্ছেন।

পর্যটকদের নিরাপত্তায় পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশের উপস্থিতি।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, “এর আগেও রাঙ্গামাটিতে অনেকবার এসেছি। তবে ঈদের ছুটি উপলক্ষে এবারই প্রথমবার।”
এদিকে, ঈদকে কেন্দ্র করে রাঙামাটির মেঘ-পাহাড়ের উপত্যকা সাজেক ভ্যালিও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। সাজেকের শতাধিক রিসোর্ট-কটেজ শতভাগ বুকিং হয়ে আছে বলে জানিয়েছে বলছে সেখানকার রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতি। জেলা শহরের রিসোর্টগুলোতেও উপচেপড়া ভিড়।

রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক অলক বিকাশ চাকমা বলেন, “আমাদের মোটেলের ৮০ শতাংশ রুম বুকিং রয়েছে। ঈদের দিন থেকেই পর্যটকরা রাঙামাটি আসছেন। ঝুলন্ত সেতুর পাশাপাশি সানরাইজ ইকো পার্কেও পর্যটকরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন।”
পর্যটন ঝুলন্ত সেতুর টিকেট কাউন্টার ব্যবস্থাপক মো. সোহেল বলেন, “সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রায় চার হাজার পর্যটক টিকেট কেটে এখানে প্রবেশ করেছেন।”
সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুর্পন দেব বর্মন, “রোববার থেকে পর্যটক আসা শুরু হয়েছে। আমাদের রিসোর্ট-কটেজগুলো ২৮ তারিখ পর্যন্ত শতভাগ বুকিং রয়েছে। গতকালকে ৩৫০০ হতে ৪০০০ জন পর্যটক এসেছেন।”