১৯ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
“আমাদের অগ্রিম টিকেট কাটা ছিল, কিন্তু এত যাত্রী, বসেও স্বস্তি পেলাম না। মাথার উপর, ঘাড়ের উপর যাত্রী দাঁড়ানো ছিল।”
নাফ নদীর জেটি, ঘোলার চর, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠেছে।
“আবার গরুর ঈদে যাব।”
অনেকে গ্রাম থেকে সরাসরি অফিসে এসেছেন।
“অফিসে এসে তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে ঈদের কুশল বিনিময় করেন।”
ঢাকায় এখনো ঈদের আমেজ। মানুষজন গ্রাম থেকে না ফেরায় সোমবার ঈদের তৃতীয় দিন বেশির ভাগ সড়ক ছিল ফাঁকা। তবে নানা বয়সী মানুষের পদচারণা ছিল রমনা পার্কসহ নগরীর বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে।
হোটেল-মোটেলের প্রায় শতভাগ বুকিং রয়েছে- এমনটাই জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।
পর্যটকদের নিরাপত্তায় পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশের উপস্থিতি।