Published : 27 Mar 2026, 05:44 PM
ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থল ঢাকার মোহাম্মদপুরে ফেরার পথে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ নিহত মাদ্রাসা শিক্ষক মুফতি আব্দুল মমিনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার বাদ জুমা জানাজা শেষে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের তিতারকান্দি গ্রামে শ্বশুর বাড়ির কবরস্থানে পাশাপাশি চারজনকে দাফন করা হয়।
বশাহাজী পাটওয়ারী বাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ পড়ান খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ। তিনি নিহত মমিনের শ্যালক।
নিহত মমিন (৫২) নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আইয়ুব আলী মাস্টারের বাড়ির প্রয়াত ইউনুস মুন্সীর ছেলে। তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন।
নিহত অন্যরা হলেন মমিনের স্ত্রী ঝর্না বেগম (৪০), ছেলে সাইফ (৭) ও মেয়ে লাবিবা (১৮)।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেট কারের চালকসহ পাঁচ আরোহী মারা যান; যাদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন। তবে বেঁচে যান মমিনের ১৪ বছর বয়সী ছেলে আবরার।
নিহত প্রাইভেট কার চালক জামাল হোসেনের (৫২) বরিশাল জেলার বাসিন্দা।
মমিনের স্বজনরা জানান, মমিনের গ্রামে বাবার বাড়িতে জায়গা জমি নেই। এজন্য তারা সেখানে থাকতেন না। চাকরির কারণে ঢাকায় বেশি থাকতেন। ঈদে ছুটিতে এলে শ্বশুর বাড়িতে থাকতেন তারা। তবে নিজ গ্রামে জায়গা জমি কেনার পরিকল্পনা ছিল তার।
খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনায় আমার বোন, ভগ্নিপতি ও তাদের দুই সন্তান মারা গেছেন। পাশাপাশি কবরে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।”
কুমিল্লায় বাস-প্রাইভেট কার সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনসহ নিহত ৫
কুমিল্লায় নিহত ৫: চোখের সামনেই বাবা-মা-ভাই-বোনকে হারাল আবরার