১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

নিবন্ধন পেল জামায়াতের ‘সংস্কারপন্থিদের’ দল এবি পার্টি, প্রতীক ‘ঈগল’

জামায়াতে ইসলামীর ‘সংস্কারপন্থিরা’ নতুন প্ল্যাটফর্ম গঠনের এক বছর পর ২০২০ সালে এবি পার্টি গঠনের ঘোষণা দেন।

নিবন্ধন পেল জামায়াতের ‘সংস্কারপন্থিদের’ দল এবি পার্টি, প্রতীক ‘ঈগল’
জামায়াতে ইসলামী থেকে পদত্যাগকারী এএফএম সোলায়মান চৌধুরীকে আহ্বায়ক ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জুকে সদস্য সচিব করে ২০২০ সালে আত্মপ্রকাশ করে এবি পার্টি। ফাইল ছবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 21 Aug 2024, 08:17 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:18 AM

প্রতিষ্ঠার চার বছর পর নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেয়েছে ‘আমার বাংলাদেশ পার্টি’ (এবি পার্টি)। 

বুধবার নির্বাচন কমিশন এবি পার্টিকে ‘ঈগল’ প্রতীক দিয়ে নিবন্ধনের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

ইসি সচিব শফিউল আজিম বলেন, “আদালতের আদেশে এবি পার্টিকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে, প্রতীক দেওয়া হয়েছে ঈগল। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে।”

ইসির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, “বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের রিট পিটিশনের রায় ও আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী ‘আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)’ কে পুনরাদেশ না দেওয়া পযন্ত বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন করেছে। এ দলের জন্য ‘ঈগল’ প্রতীক সংরক্ষণ করা হয়েছে। নিবন্ধন নম্বর ৫০।”

জামায়াতে ইসলামীর ‘সংস্কারপন্থিরা’ নতুন প্ল্যাটফর্ম গঠনের এক বছর পর ২০২০ সালে এবি পার্টি গঠনের ঘোষণা দেন।

নতুন দল হওয়ায় নিবন্ধনের ক্ষেত্রে দলের একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়, দেশের কমপক্ষে এক-তৃতীয়াংশ প্রশাসনিক জেলায় কার্যকর কমিটি এবং সদস্য হিসেবে অন্তত ১০০টি উপজেলা/মহানগর থানায় প্রত্যেকটিতে কমপক্ষে ২০০ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত দলিল থাকার শর্ত পূরণের বাধ্যবাধকতা ছিল। 

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে দলটি নিবন্ধন পেতে কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশনে আবেদন করে।

তখন এবি পার্টি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, তারা কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ কেন্দ্রীয় কমিটি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তালিকা, ২২টি জেলা কমিটি, ১০০টি উপজেলা কমিটি, ১০০টি উপজেলার ২২ হাজার নিবন্ধিত ভোটার সদস্যের তালিকা ইসিতে দিয়েছে।

তারপরও সে সময় দলটি নিবন্ধন পায়নি।

সোমবার এবি পার্টিকে অবিলম্বে নিবন্ধন দিতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট। 

এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাই কোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেয়।

এরপরই বুধবার দলটিকে নিবন্ধন দিল ইসি।

২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রথা চালু হলে নবম সংসদের আগে ৩৯টি দল নিবন্ধন পায়। পরে সংখ্যাটি ৪৪ এ উন্নীত হয়। 

এবি পার্টিকে নিয়ে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা এখন ৪৫টি।

এবি পার্টি নিবন্ধন নম্বর ৫০ হলেও এর আগে শর্ত পূরণে ব্যর্থ এবং আদালতের নির্দেশে পাঁচটি দলের (জামায়াতে ইসলামী, ফ্রিডম পার্টি, ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন, পিডিপি ও জাগপা) নিবন্ধন বাতিল করা হয়।

আরও পড়ুন

ইসির নিবন্ধন চায় এবি পার্টি

নিবন্ধনইসির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন বিএমজেপি ও এবি পার্টির

জামায়াতের 'সংস্কারপন্থিদেরনতুন দল এবি পার্টি